২০১৩ সালে রাশিয়ার সরকারী পরমাণু সংস্থা রোসাটোমের সহযোগিতায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। এই প্রকল্পে প্রায় ৫ হাজারেরও বেশি রাশিয়ান বিশেষজ্ঞ, প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা কাজ করেছেন।
দীর্ঘ ১২বছর পর আগামী ২৮ এপ্রিল রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের ফুয়েল লোডিং শুরু হবে। এরপর পরীক্ষামূলকভাবে জুলাইয়ের শেষে বা আগস্টের প্রথম সপ্তাহে প্রকল্প থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে। ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬শ' ৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে দুই ইউনিটে ২৪শ' মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে প্রকল্পটিতে।
২৮ এপ্রিল প্রথম ইউনিটের ফুয়েল লোডিং খবরের আশ্বাসে বুক বেঁধেছে সাধারণ মানুষ। তারা মনে করছেন, চলমান জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবেলায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বড় ভূমিকা রাখবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এখানে যে এত বড় একটা প্রজেক্ট হয়েছে তাতে সবাই খুশি। ফুয়েল লোডিং হচ্ছে এবং অতি দ্রুতই বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে। মোটামুটি কাজ এখন প্রায় শেষের দিকে এক নম্বর চুল্লির। এক নম্বর চুল্লি তো চালু হওয়ার কথা, মানে খুব তাড়াতাড়ি চালু হবে।
কর্মরত রাশিয়ান নাগরিকরা রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পে কাজ করতে পেরে আনন্দিত।
কর্মরত রাশিয়ান নাগরিকরা জানান, বাংলাদেশ পরিবর্তিত হচ্ছে, আমরা যেখানে বাস করি সেই জায়গাটি পরিবর্তিত হচ্ছে।
বর্তমান বৈশ্বিক সংকট মোকাবেলায় জ্বালানি এবং বিদ্যুতের উৎপাদনে গেলে এই অঞ্চলসহ বাংলাদেশের বিদ্যুতের সোর্স হিসেবে কাজ করবে বলে জানান জেলার এই কর্মকর্তা।
পাবনা জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘বর্তমান বৈশ্বিক যে সংকট রয়েছে জ্বালানি এবং বিদ্যুতের আমরা আশা করি এ উৎপাদনে গেলে এ অঞ্চলসহ বাংলাদেশ অত্যন্ত ভালো একটি বিদ্যুতের সোর্স পাবে।’
রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের দরবারে পেয়েছে সুনাম। অচিরেই এই প্রকল্প দেশের বিদ্যুতের চাহিদার বড় অংশ যোগান দেবে-তেমনটাই প্রত্যাশা।





