আজ (বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল) বিকেলে নগরভবনে হকারদের মধ্যে ডিজিটাল পরিচয়পত্র বিতরণ এবং নির্ধারিত স্থানে স্থানান্তর কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব তথ্য জানান।
প্রশাসক বলেন, ‘পুনর্বাসিত স্থানগুলো এমনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে যাতে যানজটের সৃষ্টি না হয় এবং হকাররাও স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন।’
তিনি জানান, হকারদের দেয়া ডিজিটাল পরিচয়পত্রে থাকা কিউআর কোড স্ক্যানের মাধ্যমে তাদের নির্ধারিত ব্যবসাস্থল শনাক্ত করা যাবে। এর ফলে অনিয়ম ও চাঁদাবাজি বন্ধ হবে বলে আশা করছেন তিনি।
আরও পড়ুন:
কেউ চাঁদাবাজির চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিকভাবে সিটি করপোরেশনকে জানানোর আহ্বানও জানান প্রশাসক।
শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘আগে উত্তর সিটির ছয়টি মাঠে হকারদের পুনর্বাসনের পরিকল্পনা থাকলেও সেগুলো খেলার উপযোগী হওয়ায় সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে হকারদের স্থায়ী সমাধানের জন্য একটি পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে এবং স্থায়ী হকার্স মার্কেট গড়ে তোলা হবে।’
এসময় তিনি দাবি করেন, উচ্ছেদ কার্যক্রমে কোনো ধরনের বলপ্রয়োগ করা হয়নি বরং হকারদের সঙ্গে মানবিক আচরণ বজায় রেখেই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।





