দেশে ফেরা অধিকাংশ প্রবাসীর বয়স ১৮ থেকে ২৫। যাদের প্রথমে ওমরা ভিসায় নেয়া হয় সৌদি আরবে। সেখান থেকে কুয়েত ও মিশর হয়ে পাঠানো হয় লিবিয়ায়। পরে লিবিয়া থেকে সমুদ্র পথে গ্রিস ও ইতালি যাবার সময় আটক হন তারা। দীর্ঘদিন জেলে থাকায় কেউ কেউ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।
আরও পড়ুন:
চলতি মাসে আরও দুটি ফ্লাইটে গানফুদা ও তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে সাড়ে তিনশো জনকে দেশে প্রত্যাবাসনে কাজ করছে দূতাবাস। মানবপাচারের শিকার এসব অভিবাসীরা বলছেন, এয়ারপোর্ট কন্ট্রাক্ট ও ওমরা ভিসায় ইউরোপ যাত্রার বিষয়টি বন্ধ করা না গেলে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন এমন আরও অনেকে।





