স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘গত ১৭ বছর দেশে আইনের শাসন ছিল না এবং জঙ্গল সলিমপুর যেন রাষ্ট্রের ভেতরে আরেকটি রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিলো। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যৌথ অভিযানে সেখান থেকে প্রচুর অস্ত্র উদ্ধার ও দাগি আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এলাকাটিতে পুলিশ ও র্যাবের অ্যাকাডেমি, স্পোর্টস কমপ্লেক্স, বিজিবি ও এপিবিএনসহ বিভিন্ন বাহিনীর জন্য একটি সমন্বিত প্রশিক্ষণকেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি সেখানে চট্টগ্রাম কারাগার স্থানান্তরেরও কথা রয়েছে। সেখানে সন্ত্রাসীদের আর কোনো স্থান দেয়া হবে না এবং কঠোরভাবে তাদের নিয়ন্ত্রণ করা হবে।’
আরও পড়ুন:
ঈদযাত্রা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যমুনা ও পদ্মা সেতুসহ মহাসড়ক ও এক্সপ্রেসওয়েগুলো সার্বক্ষণিক সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারিতে রয়েছে। যেখানে সিসিটিভি নেই, সেখানে পুলিশের বডি ওর্ন ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি চালানো হচ্ছে। জানান, বিগত সময়ের তুলনায় এবার মহাসড়কে দুর্ঘটনা অনেক কমেছে।’ যাত্রীরা নিজেরা সচেতন থাকলে দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব বলেও জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, পশুর হাটে জালনোট রোধে পুলিশ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে শনাক্তকারী মেশিন বসানো হয়েছে। কোরবানির বর্জ্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণে সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসনগুলো বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘ঈদের সময়ে অন্যান্য সম্প্রদায়ের উৎসব ও আচার অনুষ্ঠান পালনে সব ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে যাতে সবাই নির্বিঘ্নে তাদের আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারে।’





