সরকারি দলীয় সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদেরকে বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যদের নির্বাচনি এলাকার দায়িত্ব দেয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আরমান।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘কয়েকদিন আগে মহিলা সংসদ সদস্যদের নির্বাচিত করা হয়েছে। সংবিধানে বা আইনে নির্দিষ্টভাবে তাদের কোনো আসন নেই। আপনার বা আমার যেরকম নির্দিষ্ট আসন আছে, সেরকম নির্দিষ্ট কোনো আসন তাদের নেই। খুব স্বাভাবিকভাবেই আমরা আমাদের রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক কাঠামোর ভিত্তিতে দলীয় অবস্থান থেকে তাদের জন্য কিছু জায়গা নির্দিষ্ট করেছি যে, তারা কোথায় কাজ করবেন।’
আরও পড়ুন
প্রধানমন্ত্রী মীর আহমদ বিন কাসেমের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনার নির্বাচনি এলাকায় একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে এলাকার উন্নয়নের ব্যাপারে কীভাবে ভূমিকা রাখতে চান, সে ব্যাপারে আপনার সম্পূর্ণ হক আছে। ঠিক তেমনিভাবে যেহেতু এ সংসদ এ নারী নেতৃবৃন্দকে বা নারী সংসদ সদস্যদেরকে নির্বাচিত করেছেন। খুব স্বাভাবিকভাবেই তাদেরও একই রকমভাবে হক আছে, তার নিজ এলাকার মানুষের জন্য কাজ করার।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খুব স্বাভাবিকভাবেই যেটি নিয়ম আছে সরকারের, সেই নিয়ম অনুযায়ী আমরা এগোচ্ছি। আপনার এলাকার যদি কোনো উন্নয়নের কোনো বিষয়ে যদি আমার সহযোগিতা করার কিছু থাকে জানাবেন। আমি অবশ্যই করবো।’
জাতীয় সংসদ ৩৫০ আসনের। এরই মধ্যে ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদেও সংরক্ষিত আসনে বিএনপি ৩৬, জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোট ১২ এবং স্বতন্ত্র ১ জন নারী নির্বাচিত হন।
এর আগে বিকেল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।
বৈঠকে প্রথম ৩০ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোপর্ব। প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত ছিলো তারকা চিহ্নিত ৫টি প্রশ্ন। এরই মধ্যে ৩০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারকা চিহ্নিত তিনটি প্রশ্ন এবং বিভিন্ন সংসদ সদস্যের সম্পূরক প্রশ্নের জবাব দেন।—বাসস





