এসময় বাংলাদেশ-চীন ফ্রেন্ডশিপের যৌথ আয়োজনে ঠাকুরগাঁও জেলার ছয় হাজার ৫০০ শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুলব্যাগ বিতরণ করা হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘চীন এখন সবচেয়ে বেশি তাদের জনগণের কল্যাণ করেছে। চীন বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশকেও উন্নয়নের ক্ষেত্রে সমর্থন দিচ্ছে। আমাদের রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য তারা সমর্থন দিচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘কোনো জাতি কখনও এমনি এমনি উন্নত হতে পারে না, চীন যে উন্নত হয়েছে সেটা নিজের চেষ্টায় উন্নত হয়েছে। তাদের ছেলে-মেয়েরা লেখাপড়া শিখে আরও বেশি উন্নত হয়েছে।’
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশুদের সঙ্গে কাজ করতে চান, শিশুদের আরও বেশি লেখাপড়া শেখাতে চান এবং শিশুদের উন্নত করতে চান। এজন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনেকগুলো কাজ হাতে নিয়েছেন।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘শিক্ষা ও দক্ষ মানবসম্পদই একটি দেশের উন্নতির চাবিকাঠি। কোনো জাতি এমনি এমনি উন্নত হতে পারে না। শিক্ষা, কঠোর পরিশ্রম ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার মাধ্যমেই একটি দেশ উন্নতির শিখরে পৌঁছাতে পারে। দেশের শিশু-কিশোরদের সঠিক শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধে গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষক, অভিভাবক ও সমাজের সবস্তরের মানুষকে এ বিষয়ে আরও সচেতন হতে হবে। শিশুরা যাতে ভবিষ্যতে দেশের সম্পদে পরিণত হয় এবং দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে, সে লক্ষ্যে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে চীনের রাষ্ট্রদূত জানান, প্রতিবছর বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষি, শিল্প ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা যাচাই করতে চলতি বছরের জুলাই-আগস্ট মাসে চীন থেকে একটি প্রতিনিধি দল সফরে আসবে। তারা সম্ভাব্য বিনিয়োগ ক্ষেত্রগুলো মূল্যায়ন করবে।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত মিস্টার ইয়াও ওয়েন, জেলা প্রশাসক রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ আরও বলেন।





