বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম আরও বলেন, ‘আজকের নেয়া সিভিল এভিয়েশনের এ মাস্টারপ্ল্যানের মাধ্যমে আগামী ২০ থেকে ৩০ বছর বা তারও অধিক সময়ের জন্য বাংলাদেশের বিমান চলাচল খাতের উন্নয়ন লক্ষ্য, অগ্রাধিকার এবং কৌশলগত দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করবে।
‘এ পরিকল্পনার আওতায় বিমানবন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন, এয়ার ন্যাভিগেশন সেবার আধুনিকায়ন, এয়ারলাইন্স খাতের সম্প্রসারণ, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, পরিবেশগত টেকসইতা নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক মান ও চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করা সম্ভব হবে।’
বিমানমন্ত্রী বলেন, ‘বগুড়া বিমানবন্দরের কাজসহ দেশের অন্যান্য বিমানবন্দরগুলোর কাজ শুরু করে বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাব করা হবে।’
আরও পড়ুন
তিনি বলেন, ‘থার্ড টার্মিনালের বিষয়ে জাপানিজ এম্বাসেডরের সঙ্গে কথা হয়েছে, জুলাইতে জাপানের সঙ্গে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং নিয়ে চুক্তি। কার্গো হ্যান্ডলিং বিমান করবে, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং এর কাজ করবে জাপানি কোম্পানি।’
এসময় বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেন, ‘নতুন বোয়িং উড়োজাহাজ বিমানের বহরে যুক্ত হতে অন্তত পাঁচ বছর সময় লাগবে। এ সময়ের মধ্যে এয়ারবাস থেকে উড়োজাহাজ লিজ নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।’
ঢাকা থেকে নিউইয়র্কে সরাসরি ফ্লাইট চালুর সম্ভাবনা ২০২৮ সালের আগে নেই বলে জানান সিভিল অ্যাভিয়েশন চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক।
এসময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, আগামী ১৬ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন করবেন। এর আগে জাপানি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সমন্বিত জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এ কর্মশালায় বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়, বেবিচক, সশস্ত্র বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।





