মাহদী আমিন লেখেন, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলমান ফ্যাসিবাদী অপশাসনের বিরুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান সফল হয়।’
সব শ্রেণি-পেশার মানুষের রক্তে রঞ্জিত এই দিন আজ জাতীয়ভাবে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে।
তিনি লেখেন, দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল হিসেবে দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে এই অভ্যুত্থানের পটভূমি তৈরি হয়েছিল বিএনপির নেতা-কর্মীদের অভূতপূর্ব ত্যাগ ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সব রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে “ফ্যাসিবাদ বনাম বাংলাদেশ” এক নতুন মেরূকরণ ও জাতীয় ঐক্যের সৃষ্টি হয়েছিল। এতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দৃঢ় নেতৃত্ব সংগ্রামকে সফল পরিণতির দিকে এগিয়ে নেয়।
দুই বছর পূর্তির প্রেক্ষাপটে ঐক্যের মাঝে অনাকাক্সিক্ষত দূরত্ব না রাখার আহ্বান জানিয়ে মাহদী আমিন লেখেন, আমাদের নিজেদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক ও গঠনমূলক সমালোচনা থাকতে পারে, তবে কোনো অশালীন আচরণ না করে প্রজ্ঞা ও ইতিবাচকতার সাথে ভিন্নমতকে ধারণ করতে হবে। ফ্যাসিবাদের প্রশ্নে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য বজায় রাখা আজ সময়ের দাবি।
তিনি লেখেন, ১৯৭১ সাল ছিল স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ, আর ২০২৪ সাল ছিল দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার যুদ্ধ। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি বা দলের নয়; এর প্রকৃত নায়ক দেশের জনগণ। জনগণ যেমন ১৯৭১ সালের শহীদদের ভোলেনি, তেমনি ২০২৪ সালের বীর শহিদদেরও কোনোদিন ভুলবে না। একাত্তর, নব্বই ও চব্বিশের সংগ্রামকে ধারণ করেই আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা হবে।
মাহদী আমিন লেখেন, বিগত মেয়াদে ঘটে যাওয়া গুম-খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার স্বচ্ছ নিরপেক্ষ বিচারের মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে। একইসঙ্গে জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারেরভিত্তিতে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৩১ দফা, জুলাই সনদ, সংবিধান সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং শহিদ পরিবার ও আহতদের সর্বাত্মক সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে।





