আলোচনায় উঠে আসে, রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা ছাড়াই, পাকিস্তানের নাগরিক ও ব্যবসায়ীদের হাত ধরে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে ৫০ গিগাওয়াট উৎপাদনের নজিরের প্রসঙ্গও।
গ্রিড বিদ্যুতের আকাশচুম্বী দাম আর তীব্র লোডশেডিংয়ের মুখে সরকারি উদ্যোগ ছাড়াই পাকিস্তানের সাধারণ মানুষ বিকল্প হিসেবে বেছে নেয় সৌরশক্তিকে। দেশটির বর্তমান পরিস্থিতিতে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ছাড়িয়েছে ৫০ গিগাওয়াট। এছাড়া বিকেন্দ্রীভূত গ্রিডে মোট সরবরাহের ২৫ শতাংশই আসছে সোলার থেকে।
চীন থেকে সস্তা প্যানেল এনে আমদানিকৃত তেল ও গ্যাসের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশটি সাশ্রয় করেছে ১২ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বৈদেশিক মুদ্রা।
এমন বাস্তবতায় পাকিস্তানের এই অভাবনীয় সাফল্য আলো দেখাচ্ছে বাংলাদেশেও। ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুতের ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য সরকারের।
আরও পড়ুন:
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘনবসতিপূর্ণ বাংলাদেশে বড় সোলার পার্কের জন্য জমি পাওয়া কঠিন হলেও, দেশের প্রায় ৭ হাজার তৈরি পোশাক ও বস্ত্র কারখানার ছাদই হতে পারে এই বিপ্লবের মূল কেন্দ্রবিন্দু। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সিপিডি আয়োজিত সংলাপে উঠে আসে এসব তথ্য।
কিন্তু নবায়নযোগ্য নীতিগত বাধা পেরিয়ে এই খাতে শুল্কছাড় দিলে সোলার সিস্টেমের ব্যয় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে বলে মত জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের।
সংলাপে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে সোলার প্যানেল ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে হতে পারে বড় চুক্তি।’ পাশাপাশি দ্রুত নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বড় কর ছাড় আসার আশা প্রকাশ করেন তিনি।
জ্বালানি খাতের দীর্ঘমেয়াদি সংকট কাটাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিশৃঙ্খলভাবে নয়, বাংলাদেশকে সুপরিকল্পিত উপায়ে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।




