এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে তীব্র গ্যাস সংকট রাজধানীবাসী। ভোর থেকে রাত অবধি বাসা বাড়িতে গ্যাসের অভাবে রান্নায় বিঘ্ন ঘটছে। কোথাও কোথাও একেবারেই চাপ কম থাকায় বাইরে থেকে খাবার কিনতে হচ্ছে নগরবাসী।
গ্যাস পাম্পগুলোতেও বেড়েছে দীর্ঘ অপেক্ষার সারি। ঢাকা ও আশেপাশে সিএনজি পাম্পগুলোতে গাড়ি ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। কয়েকটি পাম্পে পর্যাপ্ত চাপ না থাকায় গ্যাস বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে।
গ্যাস সংকটে সিএনজিচালিত পরিবহন খাত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। চালকরা জানান, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে মিলছে প্রয়োজনের অর্ধেক গ্যাস। গ্যাসের অভাবে ভাড়ার গাড়ি চালাতে না পেরে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন তারা।
আরও পড়ুন
সিএনজি চালকরা জানান, তিন-চার ঘণ্টা সিরিয়ালে বসে থাকার পরও ফুল গ্যাস পাওয়া যায় না। পাম্পগুলো থেকে ২০০ টাকার গ্যাস দেয়া হচ্ছে।
এদিকে পাম্প কর্তৃপক্ষ বলছে, সরবরাহ কমে আসায় এই সংকট তৈরি হয়েছে। আর্থিক ক্ষতি এড়াতে পাম্প বন্ধও রাখতে হচ্ছে। তবে সরবরাহ বাড়লে এ সংকট কেটে যাবে।
একজন পাম্প প্রতিনিধি বলেন, ‘যুদ্ধের কারণে বাহির থেকে এলএনজি খুব একটা আসছে না। আর বর্তমানে বৈশ্বিক বৈষম্যের কারণে একটু কম আনা হচ্ছে। যার জন্য হয়তো প্রেশারটা একটু কম পাচ্ছে। যদি এলএনজি ঠিকমতো আসতে পারে, তাহলে আপনার প্রেশার ঠিকমতো স্বাভাবিক হয়ে যাবে, আশা রাখি।’
ভুক্তভোগীরা বলছেন, কৃত্রিমভাবে গ্যাস সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানোর কোনো অপচেষ্টা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে সরকারকে।





