ত্রিবেদী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি তার (প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান) বেশ কিছু ভাষণ শুনেছি... তিনি একজন জনবান্ধব নেতা, ঠিক আমাদের প্রধানমন্ত্রীর মতোই। আমি বিশ্বাস করি, দুই শীর্ষ নেতা যখন মুখোমুখি বসেন, তখন অনেক জটিল সমস্যারই সমাধান হয়ে যায়। এ বিষয়ে আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে।’
ভারতীয় হাইকমিশনার আরও উল্লেখ করেন যে, দুই দেশের সাধারণ মানুষ একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত এবং পরিস্থিতির ইতিবাচক সমাধান আসবেই। তিনি বলেন, ‘আমি অত্যন্ত আশাবাদী। এখানে হতাশ হওয়ার মতো কিছু নেই। সার্বিক পরিস্থিতি ইতিবাচক রয়েছে।’
হাইকমিশনার আরও জানান, বর্তমানে ভারতীয় ভিসার জন্য ব্যাপক চাহিদা রয়েছে এবং তা মেটাতে প্রতিনিয়ত আবেদন গ্রহণের ক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
এর আগে ৪ আগস্ট ভারত নিশ্চিত করে যে, বিমসটেকের বর্তমান সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এর পাশাপাশি চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই তার জন্য ভারতের একটি পৃথক দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ বলবৎ রয়েছে।
বিশ্বব্যাপী সহযোগিতা, বাণিজ্য ও টেকসই উন্নয়নকে সামনে রেখে আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর নতুন দিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন আয়োজন করতে যাচ্ছে ভারত।
এদিকে, ভারতের নতুন দিল্লিতে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক এক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ঢাকা ও নতুন দিল্লির সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। শেখ হাসিনার ওই বক্তব্যে বাংলাদেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।





