নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বিএনপি মুখে এক কথা বলে, কাজে আরেক কথা বলছে। আমরা এর আগেও বলেছি যে, এই সরকার গণভোটের রায়ের সাথে প্রতারণা করেছে। জনগণের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, গণতন্ত্রের সাথে। আমাদের যাবতীয় ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সাথে প্রতারণা করেছে। তারা সারা দেশে দলীয়করণ করছে। সকল প্রশাসনের সব জায়গায় এবং এখন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনেও এক প্রকার দলীয়করণের মাধ্যমেই দলীয় প্রার্থী দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নিজেই রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করছে। যেখানে স্বাধীনভাবে কোনো ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই, তারা নিজেরাই বলে দিচ্ছে। ফলে তারা গণতন্ত্রের পক্ষে আছে বলে আমরা মনে করছি না।’
তিনি আর বলেন, ‘আমরা ৭০ অনুচ্ছেদ না থাকলে, ইভেন এখনও যদি স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারতো, তাহলে অবশ্যই রাষ্ট্রপতি পদটা আরও বেশি সম্মানিত হতো। রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর যে ক্ষমতার ভারসাম্য, সে ধরনের ভারসাম্যের দিকে আমরা এগোতে পারতাম। কিন্তু সেটা তো আমরা আর এগোতে পারছি না। আর আমি কিন্তু এটা অনেকবারই বললাম, আমরা এটা একটা রাজনৈতিক অবস্থান নেয়ার জন্য, জনগণকে একটা বার্তা দেয়ার জন্যই আমরা এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছি যে আমরা গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সরকার কোনো সংস্কার না করলেও আমরা এই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী দিয়েছি যাতে এই আলোচনাটা আসে, এই নির্বাচনটা কম্পিটিটিভ হয়, এই নির্বাচন প্রক্রিয়াটা নিয়ে মানুষ আরও বেশি সচেতন হয় এবং মানুষের কাছে এটা পরিষ্কার হয়।’





