আজ (বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের কার্যক্রম শুরুর আগে দেয়া বক্তব্যে স্পিকার এসব কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, ‘১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের আত্মত্যাগ আজও গণতন্ত্র, ন্যায়, মানবিক মর্যাদা ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা জোগায়। সে প্রেরণার ধারাবাহিকতায় মুক্তিকামী ছাত্র-জনতার বিজয় স্মৃতিবাহী আগস্ট মাস জাতীয় জীবনে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।’
তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে।’ মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহিদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তাদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণে প্রত্যেককে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’
আরও পড়ুন:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক গুরুত্ব তুলে ধরে স্পিকার বলেন, ‘রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা ও প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা করেছে।’
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে এবং ব্যক্তিগতভাবে তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান স্পিকার। একই সঙ্গে তিনি রাষ্ট্রপতির সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সাফল্য কামনা করেন।
স্পিকার প্রত্যাশা করেন, ‘রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মর্যাদা ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরো সুদৃঢ় হওয়ার পাশাপাশি দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা বেগবান হবে।’
জাতীয় সংসদকে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশার প্রতিফলনের সর্বোচ্চ গণতান্ত্রিক মঞ্চ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আইন প্রণয়ন, নীতি নির্ধারণ এবং রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সংসদ সদস্যদের প্রধান দায়িত্ব।’





