আজ (রোববার, ১১ অক্টোবর) সচিবালয়ে ‘ওসমানী উদ্যান আধুনিকায়ন’ ও নবনির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সুশৃঙ্খলভাবে উদ্বোধনী আয়োজনের মাধ্যমে উদ্যানটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১৯ অক্টোবর ওসমানী উদ্যানের দুটি ফলক উদ্বোধন এবং একটি শ্রমিক সমাবেশে উপস্থিত থাকার সম্মতি জানিয়েছেন।’
তিনি বলেন, ‘জুলাই-আগস্টের স্মৃতি ধরে রাখতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে ওসমানী উদ্যানে একটি জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে। এই স্মৃতিস্তম্ভে সারা দেশে জুলাই-আগস্টে শহিদ ও আহত এবং গেজেটভুক্ত ব্যক্তিদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে স্মৃতিস্তম্ভটি উদ্বোধন করবেন।’
মীর শাহে আলম বলেন, ‘ওসমানী উদ্যানের কিছু অংশের আধুনিকায়ন করা হয়েছে। সেখানে মাটির নিচে দেশের অত্যাধুনিক লাইব্রেরি, রেস্তোরাঁ ও শপিং মল নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া বসার জায়গা, শিশুদের খেলার জায়গা, কৃত্রিম পানির ফোয়ারাসহ বিভিন্ন সুবিধা রাখা হয়েছে। প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে এসব আধুনিকায়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে এই উন্নয়ন কার্যক্রমও উদ্বোধন করবেন।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘১৯ অক্টোবর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা ওসমানী উদ্যানটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেব। আবারও বলছি, প্রায় ১০ বছর পর আগামী ১৯ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্যানটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হবে।’
তিনি বলেন, ‘উদ্যানটিতে হাঁটার জায়গা থাকবে। মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে সেখানে ঘুরতে পারবেন। থাকবে রেস্তোরাঁ, লাইব্রেরি, শিশুদের খেলার জায়গা, কৃত্রিম পানির ফোয়ারা ও জলধারা। পাশাপাশি জুলাই-আগস্টে শহিদদের স্মরণে নির্মিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ দর্শনার্থীরা দেখতে পারবেন এবং তাদের স্মৃতিচারণ করতে পারবেন।’
মীর শাহে আলম বলেন, ‘উদ্যানটির সৌন্দর্য বাড়াতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে দিনরাত কাজ করা হচ্ছে। সচিবালয়ের সংলগ্ন এই সুন্দর জায়গাটিকে আরও মনোরম ও আকর্ষণীয় করে সাধারণ মানুষের উপভোগের উপযোগী করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের প্রস্তুতিমূলক সভার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় আবারও ঢাকা নগরবাসীকে জানানো হচ্ছে, টানা ১০ বছর বন্ধ থাকার পর আগামী ১৯ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন ও শ্রমিক সমাবেশের কর্মসূচি শেষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ এবং আধুনিকায়ন কার্যক্রমসহ পুরো ওসমানী উদ্যান জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে।’





