শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমীতে দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের উদ্দেশে তিন বিভাগের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে বের হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো সরকারপ্রধান ঢাকার বাইরে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে গেলেন।
মঙ্গলবার সকাল ৯টায় তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে একটি সামরিক বিমানে রংপুরের উদ্দেশে রওনা করেন প্রধানমন্ত্রী।
১০টা নাগাদ সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে রংপুরে যাওয়ার পথে পাগলাপীরে পথসভায় প্রধানমন্ত্রী জনতার উদ্দেশে বক্তব্যে জানান, সমাজের সব শ্রেণি পেশার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে সরকার।
তারেক রহমান বলেন, ‘আজকে এই যে বাংলাদেশে সনাতনী সম্প্রদায়ের যে মানুষ আছে, তাদের একটি উৎসব আজকে দুর্গা শারদীয় দুর্গোৎসব। আমরা চাই বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার সময় যেমন সব মানুষ, সব ধর্মের মানুষ মিলে এই দেশকে স্বাধীন করেছে, আমরা চাই সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এই দেশকে গড়ার জন্য।’
পরে রংপুরের রাধা গোবিন্দ ধর্মসভা মন্দির পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় অংশ নেন তিনি।
পরে বক্তব্যে দেশের সব সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে সব ধর্ম বর্ণ মিলে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন:
জানান, বর্তমান সরকার যে ঐক্য তৈরি করতে চাচ্ছে, সেখানে একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা ভোট দিয়েছে, বর্তমান সরকার তাদের সরকার হতে চায়। যারা ভোট দেয়নি, তাদেরও সরকার হতে চায়। সমভাবে সবখানে উন্নয়ন করতে চায় সরকার। বর্তমান সরকার যে ঐক্য তৈরি করতে চাচ্ছে, সেখানে একটি মহল বিভ্রান্তি তৈরি করছে। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের সময় একটি মহল যেভাবে বিভ্রান্তি তৈরি করেছিল তার ফলাফল ভালো হয়নি। একইভাবে একটি মহল জুলাইকেও বিতর্কিত করছে।’
তিনি বলেন, ‘কিছু বলার থাকলে সংসদে বলুন। জনগণ স্থিতিশীলতা চায়, বর্তমান সরকার সেজন্য কাজ করছে। আমাদের সব বিভ্রান্তি থেকে বের হতে হবে। অতীতে যে রাজনীতি দেখেছি সে রাজনীতি পরিবর্তন করতে চায় সরকার। এই পরিবর্তনে সবচেয়ে বড় শক্তি জনগণ। অতীতের মত জনগণকে বর্তমান সরকার পাশে চায়।’
এসময় একটি নিরাপদ ও প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সহযোগিতার আহ্বানও জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।




