বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ঢাকা থেকে মুন্সীগঞ্জ, মাদারীপুর, শরিয়তপুর, বরিশাল ও ভোলা জেলার নদীগুলো, যশোর থেকে খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলার নদীগুলোতে এবং চট্টগ্রাম থেকে কুতুবদিয়া অঞ্চলের নদীগুলোতে আকাশপথে বিশেষ নজরদারি মিশন পরিচালনা করা হয়।
উল্লেখ্য, ঢাকা থেকে মুন্সীগঞ্জ, মাদারীপুর এবং শরিয়তপুরের নদীগুলোতে নজরদারি মিশন পরিচালনার সময় মাদারীপুর ও শরিয়তপুর জেলার নদীগুলোর জেলেদের মাছ ধরার নৌযান পরিলক্ষিত হলে হেলিকপ্টার হতে উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন সার্চলাইট (নাইট সান) ব্যবহার করে ওইসব নৌযানকে সর্তক করা হয়।
বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টারগুলোতে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সার্চলাইট (নাইট সান) সংযুক্ত রয়েছে, যা অন্ধকারে দৃশ্যমানতা বৃদ্ধি করে এবং সন্ধ্যার পর মাছ ধরার নৌযানগুলো সুনির্দিষ্টভাবে পর্যবেক্ষণে সহায়তা করে।
আরও পড়ুন:
এছাড়া এসব মিশনে বিমান বাহিনীর এয়ারক্রুরা নাইট ভিশন গগলস ব্যবহার করেন, যা স্বল্প আলোতে কার্যকর নজরদারি এবং নিষিদ্ধ মাছ ধরার কার্যক্রম শনাক্তকরণে সহায়তা করে।
আকাশ থেকে ভূমিতে যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত এসব মিশনে মাঠপর্যায়ের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও মৎস্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন সমন্বয় নিশ্চিত করা হয়।
উল্লিখিত অঞ্চলগুলো ছাড়াও বিমান বাহিনী দেশের বিভিন্ন বিমান ঘাঁটি থেকে পরিচালিত প্রশিক্ষণ মিশনের আওতায় উপকূলীয় অঞ্চলের ওপর ‘লো’ লেভেলে উড্ডয়নের মাধ্যমে বিশেষ নজরদারি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বিমান বাহিনী ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’—এর আওতায় এসব মিশন পরিচালনার মাধ্যমে দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ ও জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখছে।
দেশের পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনী সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে এবং জাতীয় স্বার্থে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বিমান বাহিনী।





