এ মামলার এজাহারে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওয়াজ মাহফিলের ভিডিওতে আমির হামজা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোট মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর নাম ব্যঙ্গাত্মকভাবে বিকৃত করে অবমাননাকর শব্দ ব্যবহার করেন। পাশাপাশি খালেদা জিয়ার কারাবাস নিয়ে বিদ্রূপমূলক ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন তিনি।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, এসব বক্তব্যে মরহুম আরাফাত রহমান কোকো, খালেদা জিয়া ও তাদের পরিবারের সম্মান ক্ষুণ্ণ হয়েছে, যা দণ্ডবিধির ৫০০, ৫০১ ও ৫০২ ধারায় শাস্তিযোগ্য। আবেদনে আসামির বিরুদ্ধে সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির প্রার্থনা জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
এ মামলার বাদী সোলায়মান চৌধুরী শিহাব বলেন, ‘এটি কোনো ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার মামলা নয়, সামাজিক শালীনতা ও পারস্পরিক সম্মান রক্ষার জন্যই তিনি আদালতে এসেছেন।’
মামলার আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ জানান, আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি আদেশের দিন ধার্য করেছেন।
এ ব্যাপারে আমির হামজার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার পিএস আবু বকর জানান, তারা এখনো আদালতের কোনো নোটিশ পাননি। নোটিশ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।
উল্লেখ্য, এরআগে মুফতি আমির হামজা তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে হত্যার হুমকি পাওয়ার দাবি করেন এবং নিজের অবর্তমানে তার তিন কন্যাসন্তানের খেয়াল রাখার জন্য অনুরোধ জানান ওই ফেসবুক পোস্টে।





