এবারের জাতীয় নির্বাচনে ২৯৯টি আসনে ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশ নেয়। এর মধ্যে আলোচিত ইসলামী ঐক্য জোট, এনডিএম, গণফ্রন্ট, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি ভোট পেয়েছে ০.০ শতাংশ। দল হিসেবে সবচেয়ে বেশি জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন ও জাপার প্রার্থীরা। এছাড়াও ৪২টি দল একটি আসনও পায়নি।
ভোটের মাঠে নিজেদের দলীয় এমন ভরাডুবি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে দলগুলোর মধ্যে। কেউ কেউ আঙুল তুলছেন নির্বাচনের সার্বিক ব্যবস্থাপনার দিকেও।
এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ‘দেখা যাচ্ছে যে প্রত্যেকটা ছোট ছোট ভুল সেখানে হয়েছে। অন্যান্যবারের চাইতে বেটার নির্বাচন হয়েছে। কিন্তু এ সন্দেহ সংশয়টা নির্বাচনটাকে কিছুটা হলেও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে এবং কিছুটা কালিমা লেপন করেছে।’
১২টি আসনে লড়াই করা নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘গণমানুষের কাছে পৌঁছতে না পারার মতো কোনো ব্যর্থতা নয় বরং দীর্ঘ দিনের দুঃশাসন ভেঙে নির্বাচন হয়েছে বলে মানুষ কেবল বড় রাজনৈতিক দুইদলকেই প্রাধান্য দিয়েছে।’
আরও পড়ুন:
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘সামগ্রিকভাবেই এই ১৫ বছরের দুঃশাসন অতিক্রম করার পরে মানুষের যে আকাঙ্ক্ষা তা সামনে দুটো রাজনৈতিক দল বা জোট সেভাবেই সেটা আসছিলো। তাদের ভিত্তিতেই ভোট হয়েছে।’
তবে নির্বাচনের জয় পরাজয় মেনে নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রস্তুতি, আগামী দিনে নতুন গণতান্ত্রিক ধারায় এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়ও রয়েছে দলগুলোর।
মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘আগামী দিনগুলো কিভাবে আসে এবং সে দিনগুলোর মূল্যায়ন কিভাবে করা যায় সে আলোকে কর্মসূচী তৈরি করা এবং কাজ করতে পারা তার ওপর নির্ভর করবে আমাদের সুবিধা অসুবিধা।
মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে যদি সুদৃঢ় রূপ দিতে হয় অপ্রয়োজনীয় বিরোধিতা নয় এবং টু দ্যা পয়েন্ট বিরোধিতা করতে হবে। সেজন্যই আমরা ছায়া মন্ত্রিসভার পদ্ধতিটা আমরা এপ্লাই করবো।’
একইসাথে নতুন সরকারকে স্বাগত জানিয়ে দলগুলো বলছে সবাই রাজনীতির ময়দানে কাজ করবেন জনগণের কল্যাণে।





