পার্বত্য চট্টগ্রামের বন্যার বিষয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে বন্যাদুর্গত মানুষের দুর্ভোগের সময় সরকারের পর্যাপ্ত উদ্যোগ ও সহায়তা দেখা যায়নি। আমার পার্বত্য চট্টগ্রামের ভাইয়েরা বন্যায় কষ্ট পাচ্ছেন, আর প্রধানমন্ত্রী বরিশালে সফর করছেন।’
তার দাবি, জাতীয় রাজস্বে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা সত্ত্বেও সংকটকালে পার্বত্য অঞ্চলের জন্য বরাদ্দ ছিল অপ্রতুল।
এসময় সরকার গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন এ সংসদ সদস্য।
তিনি বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের পর জনগণ যে পরিবর্তনের প্রত্যাশা করেছিল, বর্তমান সরকার তা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। জনগণ শুধু ব্যক্তি পরিবর্তন নয়, বরং পুরো শাসনব্যবস্থার সংস্কার চেয়েছিল।’
আরও পড়ুন:
এসময় সংবিধান সংস্কার প্রশ্নে সরকারের অবস্থানেরও সমালোচনা করেন তিনি।
শিক্ষাখাতের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে হাসনাত বলেন, ‘২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা নানা সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে। বন্যার মধ্যেও পরীক্ষা গ্রহণ, প্রশ্নপত্রে ভুল এবং শিক্ষার্থীদের দাবিকে গুরুত্ব দেয়া হয়নি।’
শিক্ষার্থীদের নিয়ে কোনো ধরনের ‘পরীক্ষা-নিরীক্ষা’ না চালিয়ে তাদের প্রতি আরও সংবেদনশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এছাড়া চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, গ্যাসের অবৈধ সংযোগ, ভূমি দখল, রাজস্ব ফাঁকি এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের অভিযোগ তুলে ধরে হাসনাত বলেন, ‘জনগণ এসব অনিয়ম আর মেনে নেবে না।’
আরও পড়ুন:
সুশাসন, জবাবদিহি এবং জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী গুণগত রাজনৈতিক পরিবর্তন নিশ্চিত করারও দাবি জানান তিনি।
বক্তব্যের শেষাংশে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তরুণ নেতৃত্বকে এগিয়ে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।





