নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘শুরুতে লং মার্চে পাঁচ থেকে ছয় হাজার গাড়ি নেয়ার পরিকল্পনা ছিল। তবে জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তা কমিয়ে প্রায় এক হাজার গাড়ি করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘সরকার তেল-গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। এ অবস্থা থেকে কীভাবে পরিত্রাণ পাওয়া যায়, সেজন্যই আমাদের এই কর্মসূচি।’
তিনি জানান, ৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বর থেকে লং মার্চ শুরু হবে। সকাল ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত সেখানে উদ্বোধনী কর্মসূচি ও দলের শীর্ষ নেতাদের বক্তব্য থাকবে। এরপর গাড়িবহর চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করবে।
জনদুর্ভোগ এড়াতে পুলিশের সঙ্গে আলোচনা করে কর্মসূচির রুট ও গাড়ি চলাচলের বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে জানিয়ে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘দুইটা লাইনে আমাদের কোনো গাড়ি থাকবে না, একটা লাইনে থাকব।’ অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি যান চলাচলে যাতে কোনো বাধা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার কথা জানান তিনি।
আরও পড়ুন:
নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, সকাল ৯টায় সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগাং রোড ট্রাক স্ট্যান্ডে প্রথম পথসভা হবে। এরপর দুপুর ১২টায় কুমিল্লায় কর্মসূচি শেষে ফেনীর মহিপালে বেলা ৩টার দিকে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত মিরসরাইয়ে কর্মসূচি শেষে রাত ৯টায় চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে লং মার্চের সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘ফেনী ও মিরসরাইয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।’ পলোগ্রাউন্ডে বড় ধরনের জনসমাগম হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
দেশবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনি আছেন, আপনার কাছে আমরা আসছি। আপনাদের কথাগুলো আমরা শুনতে চাই।’ মানুষের সমস্যাগুলো জানতে এবং নতুন বাংলাদেশ গঠনের বিষয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা করতেই এই কর্মসূচি নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।





