ফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের ভিপি রিয়াজুল ইসলাম ৫ হাজার ৫৬৪ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল, ছাত্র অধিকার পরিষদ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেলের এ কে এম রাকিব পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৮৮ ভোট। রাকিবের চেয়ে রিয়াজুল ৮৭৬ ভোটে এগিয়ে আছেন।
জকসুতে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে ছাত্রশিবির। এ পদে আব্দুল আলিম আরিফ ৫ হাজার ৪৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ২ হাজার ২০৩ ভোট। আরিফ ৩ হাজার ২৬৭ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন।
এছাড়া এজিএস পদেও বড় ব্যবধান জয় পায় ছাত্রশিবির। এ পদে শিবির সমর্থিত মাসুদ রানা ৫ হাজার ২ ভোট এবং ছাত্রদলের বি এম আতিকুর রহমান তানজিল ৩ হাজার ৯৪৪ ভোট পেয়েছেন। মাসুদ রানা ১ হাজার ৫৮ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দুই দশকেরও বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো জকসু ও হল সংসদ নির্বাচন–২০২৫। এর ভোটগ্রহণ চলছে। ২১ বছরের ইতিহাসে প্রথম জকসু নির্বাচনে ভোট দেয়ার সুযোগ পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা যায় ব্যাপক উৎসাহ ও উচ্ছ্বাস।
আরও পড়ুন:
গতকাল (মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ১৬ হাজার ৬৪৫ জন। বিকেল ৩টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হলেও লাইনে থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য সাড়ে ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। পরে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ব্যালট বাক্স কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে আনা হয়।
নির্বাচন কমিশন সূত্রমতে, হল সংসদে ৭৫ শতাংশ এবং কেন্দ্রীয় সংসদে ৬৫ শতাংশ ভোট পড়ে। পরে সন্ধ্যা ৬টার দিকে ভোট গণনা শুরু হলেও প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর টেকনিক্যাল কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়। পরে আবারও শুরু হয় গণনা। বুধবার দিনভর চলে ভোট গণনা।





