তবে কিছু দেশ তাদের চাঁদ দেখার কার্যক্রম রেখেছে আরও একদিন পর, অর্থাৎ আগামীকাল (বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ) সেসব দেশ চাঁদ দেখা কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
অ্যাস্ট্রোনমি সেন্টারের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, অনেক দেশে আগামীকাল রমজানের ২৯তম দিন হবে, যার ফলে সেসব দেশে ঈদ শুক্রবার বা শনিবার হতে পারে।
যদি আজ চাঁদ দেখা যায় সেক্ষেত্রে সেসব দেশে ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) ঈদ পালিত হবে। তবে তুরস্ক এবং সিঙ্গাপুরের মতো দেশগুলো যারা জ্যোতির্বিজ্ঞানের গণনার ওপর নির্ভর করে, তারা এরইমধ্যে এ সময়ের আশেপাশে ঈদের ঘোষণা দিয়ে রেখেছে।
যেসব দেশ আজ (১৮ মার্চ) চাঁদ দেখার প্রস্তুতি নিয়েছে:
সৌদি আরব: দেশটির সুপ্রিম কোর্ট আজ সন্ধ্যায় সব নাগরিককে চাঁদ দেখার আহ্বান জানিয়েছে। সুদাইর এবং তুমাইর মানমন্দিরসহ মোট ১২টি কেন্দ্রে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা চাঁদ খোঁজার প্রস্তুতি নিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, ওমান ও বাহরাইন: জিসিসিভুক্ত এই দেশগুলো সাধারণত সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে আজ চাঁদ দেখার চেষ্টা করছে।
মিশর ও জর্ডান: উত্তর আফ্রিকা এবং লেভান্ট অঞ্চলের এই দেশগুলোও আজ সন্ধ্যায় তাদের অফিশিয়াল চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক ডেকেছে।
যেসব দেশ কাল (১৯ মার্চ) চাঁদ দেখার প্রস্তুতি নিয়েছে:
বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ অনেক দেশে আগামীকাল রমজানের ২৯তম দিন। ফলে এই দেশগুলো বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চাঁদ দেখার জন্য বসবে।
দেশভিত্তিক তালিকা
নিচের দেশগুলোতে ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) চাঁদ দেখা হবে, যার ফলে ঈদ ২০ মার্চ (শুক্রবার) অথবা ২১ মার্চ (শনিবার) হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে:
দক্ষিণ এশিয়া: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান।
আরও পড়ুন:
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া: ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই।
মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা: ওমান, ইরান, ইরাকের কিছু অংশ, জর্ডান, সিরিয়া, মিশর, লিবিয়া, তিউনিসিয়া, আলজেরিয়া, মরক্কো এবং মৌরিতানিয়া।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, পূর্বদিকের দেশগুলোতে (যেমন এশিয়া মহাদেশে) বৃহস্পতিবার চাঁদ দেখা বেশ কঠিন হতে পারে। সেক্ষেত্রে অনেক দেশে রমজান ৩০ দিন পূর্ণ হওয়ার এবং ২১ মার্চ (শনিবার) ঈদ হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।





