আগের দুই বিশ্বকাপে একবারের চ্যাম্পিয়ন, অন্যবার হয়েছে রানার আপ। প্রত্যাশার পারদ উঁচুতেই ছিল ফ্রান্সের জন্য। কিন্তু, প্রত্যাশার বিপরীতে লেস ব্লুজদের শুরুটা হলো একেবারেই বিবর্ণ। আফ্রিকান জায়ান্ট সেনেগালের বিপক্ষে সাদামাটা ফ্রান্স। প্রথমার্ধের খেলায় এমবাপ্পে-অলিসেদের নিয়ে খুব বেশি প্রাপ্তি ছিলো না ভক্তদের।
তবে, প্রথমার্ধের পর ড্রেসিংরুমে বোধকরি জাদুই দেখিয়েছেন কোচ দিদিয়ের দেশাম। বিরতির পর মাঠে নেমে রীতিমত বদলে গেল ফরাসিরা। ফলাফল এলো ৬৬ মিনিটে। অলিসের পাশ থেকে বল পেয়ে স্কোরশিটে নাম তুললেন এমবাপ্পে। ৭০ মিনিটে গোলের একেবারে কাছে গিয়েও হতাশ হতে হয়েছিল সেনেগালকে। ৮২ মিনিটে ব্র্যাডলি বারকোলা গোল করলে ম্যাচে ফেরার শেষ আশাও মিলিয়ে যায় আফ্রিকান দেশটির। অবশ্য যোগ করা সময়ে ইব্রাহিম এমবাইয়ে এক গোল শোধ করেছিলেন। তবে একমিনিট পরেই নিজের ২য় আর দলের চতুর্থ গোল করেন এমবাপ্পে।
আরও পড়ুন:
এই গোলের পর বিশ্বকাপে ফ্রান্সের হয়ে সর্বোচ্চ ১৪ গোলের মালিক হয়েছেন এমবাপ্পে। পেছনে ফেলেছেন জা ফন্তের ১৩ গোলের রেকর্ডকে। একইসঙ্গে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় উঠে এসেছেন তিনে। সেই সঙ্গে অলিভিয়ের জিরুডকে পেছনে ফেলে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও এখন কিলিয়ান এমবাপ্পে।
রাতের আরেক ম্যাচে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরার সময়টা স্মরণীয় করে রেখেছে নরওয়ে। ইরাককে তারা উড়িয়ে দিয়েছে ৪-১ ব্যবধানে। প্রথমার্ধেই জোড়া গোল পেয়েছেন দলের বড় তারকা আর্লিং ব্রাউট হালান্ড। ২৯ মিনিটে নিজের বিশ্বকাপ অভিষেক রাঙান হালান্ড। মাঝে ইরাকের আয়মান হুসেইন এক গোল করলেও ৪৩ মিনিটে ফের লক্ষ্যভেদ করেন নরওয়ের নাম্বার নাইন।
৭৬ মিনিটে লিও অস্টিগার্ড গোল করলে ইরাক ছিটকে যায় ম্যাচ থেকে। আর খেলার শেষ সেকেন্ডে আয়মানের আত্মঘাতী গোলে নিশ্চিত হয় তাদের ৪-১ গোলের হার।





