২০২৭ থেকে ২০৩১ মেয়াদের জন্য ফিফা সভাপতি হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হওয়ার স্বপ্নে বড় ধাক্কা খেলেন জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ফিফার বাণিজ্যিক স্বত্বের ২০ শতাংশ বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর ইউরোপ জুড়ে ক্ষোভের আগুন জ্বলছে।
সুইডিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন নিশ্চিত করেছে, আগামী মার্চে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনে তারা ইনফান্তিনোর প্রার্থিতার সরাসরি বিরোধিতা করবে। এর আগে ইংল্যান্ড, ওয়েলস ও সার্বিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের সমর্থনের চিঠি প্রত্যাহার করে নেয়।
ওয়েলশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনও এক কড়া বিবৃতিতে জানিয়েছিলো-সুশাসনের অভাব, ভুল সিদ্ধান্ত এবং ফুটবলের মূল স্বার্থ রক্ষায় ব্যর্থতার কারণেই ইনফান্তিনো তাদের আস্থা হারিয়েছেন।
এদিকে সংকট কেবল সমর্থন হারানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, গড়িয়েছে আইনি জটিলতায়। এমনকি, এই চুক্তির সঙ্গে জড়িত বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ‘থ্রাইভ ইটার্নাল’ এবং আর্থিক উপদেষ্টা সংস্থা ‘জেপি মরগানও’ চিঠি পাঠিয়েছে উয়েফা।
রাজনৈতিকভাবেও ধাক্কা খেয়েছেন ফিফা প্রধান। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর সম্প্রতি গুঞ্জন উড়িয়ে জানিয়ে দিয়েছে-সমর্থন আদায়ের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে ইনফান্তিনোর কোনো নির্ধারিত বৈঠক হয়নি।
বর্তমানে পুরো বিশ্ব ফুটবলে এক ধরনের অনাস্থা প্রস্তাবের মতো বাতাস বইছে। পরিস্থিতি বিচারে ইনফান্তিনোর উত্তরসূরি হিসেবে সামনে আসছে কনকাকাফ সভাপতি ভিক্টর মন্তালিয়ানির নাম।
সব মিলিয়ে, পদত্যাগের তীব্র চাপের মুখে থাকা ইনফান্তিনোর জন্য আগামী কয়েক দিন অত্যন্ত কঠিন হতে চলেছে। বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষ ক্ষমতার এই নাটকীয় পরিবর্তন কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।





