আজ (বুধবার, ১১ মার্চ) মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। আগে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা কিছুটা ধীরস্থিরভাবে করলেও পরে হঠাৎ করেই ধস নামে পাকিস্তানের ইনিংসে। শেষ পর্যন্ত ৭৩ রানের মধ্যে শেষ ১০ উইকেট হারিয়ে ১১৪ রানেই গুটিয়ে যায় দলটি।
এর আগে ১৯৯৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে নর্দাম্পটনে বাংলাদেশের বিপক্ষে পাকিস্তানের সর্বনিম্ন সংগ্রহ ছিল ১৬১ রান।
উদ্বোধনী জুটিতে ভালো শুরু
পাকিস্তানের হয়ে উদ্বোধনী জুটিতে সাহিবজাদা ফারহান ও মাজ সাদাকাত ধীরগতিতে খেলতে খেলতে ৬০ বলে ৪১ রানের জুটি গড়েন। তবে দশম ওভারের শেষ বলে এই জুটি ভাঙেন পেসার নাহিদ রানা। অফস্টাম্পের বাইরের শর্ট বলে কাট করতে গিয়ে পয়েন্টে আফিফ হোসেন ধ্রুবের হাতে ক্যাচ দেন ফারহান। তিনি ৩৮ বলে ২৭ রান করেন।
শর্ট বলেই ধস
ফারহানের বিদায়ের পর পাকিস্তানের ইনিংসে ধস নামান নাহিদ রানা। তার শর্ট পিচ বলেই সাজঘরে ফেরেন শামাইল হুসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলী আগা।
শামাইল হুসাইন শুরুতে জীবন পেলেও শেষ পর্যন্ত রানার শর্ট বলে পুল করতে গিয়ে উইকেটরক্ষক লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দেন। অন্যদিকে সালমান আলী আগার উইকেটে বড় ভূমিকা রাখেন তানজিদ হাসান তামিম, শর্ট লেগে কঠিন ক্যাচটি তালুবন্দী করেন তিনি।
স্পিন–পেসে শেষের ধাক্কা
মাঝের ধসের পর পাকিস্তানকে আর ঘুরে দাঁড়াতে দেননি বাংলাদেশের বোলাররা। স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ ও পেসার তাসকিন আহমেদ শেষদিকে আঘাত হানেন।
মিরাজের বলে কট বিহাইন্ড হয়ে শূন্য রানে আউট হন আবদুল সামাদ। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি তিনি। এছাড়া হুসেইন তালাত ও অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদিকেও দ্রুত ফিরিয়ে দেন বাংলাদেশের বোলাররা।
সব মিলিয়ে বাংলাদেশের শৃঙ্খলিত বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি পাকিস্তান। ফলে মাত্র ১১৪ রানেই অলআউট হয়ে যায় সফরকারীরা।
চাপের মধ্যে এখন তুলনামূলক ‘সহজ লক্ষ্য’ তাড়া করেই ম্যাচ জয়ের সুযোগ বাংলাদেশের সামনে।





