একসময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জয় পাওয়াটাই ছিল বাংলাদেশ নারী দলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তবে সময়ের সাথে সাথে বদলেছে অবস্থান। আইসিসির সকল বড় ইভেন্টে জায়গা করে নেয়ার পাশাপাশি নিয়মিত বিরতিতে আসছে জয়ও। বিসিবির নবনির্বাচিত বোর্ড নারী ক্রিকেটের অগ্রযাত্রার পথ সুগমে নিচ্ছে নতুন সব পরিকল্পনা।
জাতীয় দলের জন্য মানসম্পন্ন নারী ক্রিকেটার তৈরিতে তৃণমূলে কাজ শুরু করতে চায় বিসিবি। প্রতিবছর নিয়মিত আয়োজিত হয় স্কুলভিত্তিক ছেলেদের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। এবার নারী ক্রিকেটেও একই পথে হাটতে চায় বোর্ড।
বিসিবি উইমেনস উইংয়ের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, আমাদের স্কুল ক্রিকেট মানে এখন টেম। মানে টেস্ট বেসিসে আমরা শুরু করতে যাচ্ছি ইনশাল্লাহ। অলরেডি আমরা চিঠিও ইস্যু করেছি, বিভিন্ন স্কুলে পৌঁছে দিয়েছি। এগুলি আপনার দেখবেন আগামী সিজন থেকে স্কুল ক্রিকেট শুরু হবে। যদিও এটা সফট বলে শুরু হবে ইনিশিয়াল স্টেজে।
নারী ক্রিকেটার উঠে আসার ক্ষেত্রে অন্যতম বড় কারণ মানসম্পন্ন নারী কোচের অভাব। এর আগে পুরুষ কোচ ইস্যুতে বিভিন্ন সময় হওয়া বিতর্কের ঘটনায় বেশ বিব্রত বিসিবি। তাই প্রাথমিকভাবে বিভাগভিত্তিক নারী কোচ নিয়োগ দেয়ার জানিয়েছেন নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বাবু।
রফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, আটটি বিভাগীয় শহরে আমরা আটজন মহিলা কোচ নিয়োগ দিচ্ছি, যারা ওই বিভাগে সংশ্লিষ্ট বিভাগে কাজ করবে। সেই সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে ক্রিকেটার তুলে আনার ক্ষেত্রে কাজ করবে। আমাদের নারী ক্রিকেটের অভিভাবকরা বা অনেক মেয়ে ক্রিকেটার কিন্তু অনীহা প্রকাশ করছে খেলতে আসার জন্য। যখন আমাদের নারী কোচ থাকবে, ইনশাল্লাহ সে আস্থাটুকু তারা ফিরে পাবে।
এসবের পাশাপাশি ট্যালেন্ট হান্ট প্রোগ্রামের মাধ্যমে নারী ক্রিকেটার খুঁজে বের করতে চায় বিসিবি। নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের মাধ্যমে পাওয়া প্রতিভাদের নিয়েও কাজ করতে চায় বোর্ড।
রফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, ছেলেদের যেমন ট্যালেন্ট হান্টিং প্রজেক্ট আছে, এটা মেয়েদের ক্ষেত্রেও আমরা এটা বিভিন্ন অঞ্চলে করবো। নতুন করে স্পোর্টস চালু করেছে, এটার মাধ্যমেও কিন্তু প্রচুর ক্রিকেটার অলরেডি বেরিয়ে আসছে। তাদেরকেও একটু গাইড করা, প্রপার গাইডেন্সের আন্ডারে আনা, সেটার ব্যবসাও আমরা ইনশাল্লাহ করবো।
সবকিছু গুছিয়ে ভবিষ্যতে নারী বিপিএল আয়োজনেরও চিন্তাভাবনা করছে বিসিবি।





