নিজেদের ২৬ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার নিরপেক্ষ ভেন্যুতে টেস্ট ম্যাচ। আবুধাবিতে এমন নতুন অভিজ্ঞতার ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নাজমুল হোসেন শান্তর। যেখানে শুরুটা ছিলো স্বপ্নের মতো। একপ্রান্তে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন তানজিদ হাসান তামিম। অন্য প্রান্তে ছিল সাদমান ইসলামের দৃঢ়তা।
উদ্বোধনী জুটিতে আসে আফগানদের বিপক্ষে রেকর্ড ১২৪ রান। মাত্র ৭১ বলে ৮৩ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে বিদায় নেন তামিম। আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের হয়ে দ্রুততম ফিফটির পাশাপাশি এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ছয় আর ওপেনারদের মধ্যে সর্বোচ্চ স্কোরের রেকর্ড গড়েই সাজঘরে ফেরেন তিনি।
ব্যক্তিগত ৬৭ রানে ফেরেন সাদমান। এরপরই বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। মুমিনুল হকের ৩৯ রানের ইনিংসের পর দ্রুত ফিরে যান মুশফিকুর রহিম ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। মাত্র দুই রানের ব্যবধানে দুই উইকেট হারিয়ে ২২৫ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে বেশ চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
সেখান থেকে প্রতিরোধ গড়েন লিটন দাস। মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে গড়েন গুরুত্বপূর্ণ জুটি। মিরাজ ২৪ রানে ফিরলেও হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন লিটন। তবে ৫৩ রানে তাঁর বিদায়ে আবারও ধাক্কা খায় টাইগাররা। হাসান মাহমুদও ফিরলে চোখ রাঙাচ্ছিল প্রথম দিনে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা।
তবে দিনের শেষ পর্যন্ত টিকে থাকেন নাইম হাসান ও তাইজুল ইসলাম। তাদের যথাক্রমে ১১ ও ৪ রানের দুই অপরাজিত ইনিংসের সুবাদে ৮ উইকেটে ৩১৭ রান নিয়ে দিন শেষ করে বাংলাদেশ। আফগানিস্তানের হয়ে ৭০ রানে সর্বোচ্চ তিন উইকেট মোহাম্মদ সেলিমের। দুটি করে উইকেট ইসমত আলম ও ইয়ামিন আহমদজাইয়ের।





