একনজরে ক্লাবগুলোর আয় (ইউসিএল ২০২৪-২৫)
ক্লাবের নাম আয়ের পরিমাণ (ডলার) আয়ের পরিমাণ (টাকা) পিএসজি (চ্যাম্পিয়ন) ১৬৮ মিলিয়ন ২০৫৮.৩ কোটি ইন্টার মিলান (রানার্সআপ) ১৫৯ মিলিয়ন ১৯৪৮ কোটি রিয়াল মাদ্রিদ ১১৯ মিলিয়ন ১৪৫৮ কোটি ম্যানচেস্টার সিটি ৮৮.৫ মিলিয়ন ১০৮৩ কোটি অ্যাস্টন ভিলা ৯৭.৫ মিলিয়ন ১১৯৩ কোটি
আরও পড়ুন:
রেকর্ড প্রাইজমানির আসর (Record Prize Money)
নতুন ফরম্যাটে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মোট প্রাইজমানি ছিল ২.৪৭ বিলিয়ন ডলার (2.47 Billion USD), যা গত আসরের তুলনায় ৪৬৬ মিলিয়ন ডলার বেশি। শিরোপাধারী হিসেবে পিএসজি সবার ওপরে থাকলেও রানার্সআপ ইন্টার মিলানও (Inter Milan) পিছিয়ে নেই। তারা আয় করেছে ১৫৯ মিলিয়ন ডলার বা ১৯৪৮ কোটি টাকা।
রিয়াল মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার সিটির আয় (Revenue of Real Madrid & Man City)
ইউরোপসেরার মঞ্চে ১৫ বারের চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদ (Real Madrid) এবার কোয়ার্টার ফাইনালে আর্সেনালের কাছে হেরে বিদায় নিলেও তাদের পকেটে ঢুকেছে ১১৯ মিলিয়ন ডলার (১৪৫৮ কোটি টাকা)। তবে হতাশ করেছে ম্যানচেস্টার সিটি (Manchester City)। পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা নকআউট প্লে-অফ থেকে বিদায় নেওয়ায় ইংলিশ ক্লাবগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন ৮৮.৫ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে।
আরও পড়ুন:
ইউরোপা ও কনফারেন্স লিগের হালচাল (Europa and Conference League Earnings)
উয়েফার দ্বিতীয় স্তরের প্রতিযোগিতা ইউরোপা লিগ (UEFA Europa League) চ্যাম্পিয়ন হয়ে টটেনহ্যাম হটস্পার পেয়েছে ৪৭.৮ মিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, রানার্সআপ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড (Manchester United) পেয়েছে ৪১.৯ মিলিয়ন ডলার। তৃতীয় স্তরের কনফারেন্স লিগ (UEFA Conference League) জয়ী চেলসি ২৫.৪ মিলিয়ন ডলার জিতে আগামী মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জায়গা করে নিয়েছে।
র্যাঙ্কিং ও আয়ের বৈষম্য (Impact of UEFA Rankings)
উয়েফার এই বিশাল আয়ের পেছনে শুধু জয়-পরাজয় নয়, ক্লাবগুলোর গত ১০ বছরের উয়েফা র্যাঙ্কিং (UEFA Coefficients Ranking) বড় ভূমিকা রাখে। এই কারণেই কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলেও অ্যাস্টন ভিলা (Aston Villa) ১০০ মিলিয়নের কম অর্থ পেয়েছে। অন্যদিকে, লিগ পর্বের সব ম্যাচ হেরে সর্বনিম্ন ২৫.৬ মিলিয়ন ডলার পেয়েছে স্লোভাকিয়ার ক্লাব ব্রাতিস্লাভা।
আরও পড়ুন:





