কাঙ্ক্ষিত ফলাফল না এলেও এশিয়ার ফুটবলে বড় রকমের সাড়া ফেলেছে বাংলাদেশ। হামজা চৌধুরী-শমিত সোম কিংবা জায়ান-ফাহামিদুলকে দলে টেনে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। একইসময়ে বয়সভিত্তিক দলে আছেন সুলিভান ভাইয়েরা। স্বাভাবিকভাবেই তাই কোচদের পছন্দের প্রজেক্টেও এখন বাংলাদেশ আছে ওপরের দিকে।
বাফুফের কোচ নিয়োগের প্রক্রিয়াতেই মিলেছে সেই আভাস। গত দুই সপ্তাহেই জমা পড়েছে আড়াইশ এর বেশি আবেদন। বাফুফে সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম নিশ্চিত করেছেন এমন তথ্য। ইউরোপের শীর্ষ কিছু দেশ থেকেও জমা পড়েছে সিভি। যেখান থেকে প্রাথমিক বাছাই করছে বাফুফে।
বাফুফের সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম বলেন, ‘ইউরোপের অনেক দেশেরে ভালো মানের কোচেরা আবেদন করেছেন। আমাকে বলেছে ২৫০টির মতো আবেদন জমা পড়েছে।’
আরও পড়ুন:
নতুন কোচের কাছ থেকে বাফুফের চাওয়াটাও পরিষ্কার করলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহ-সভাপতি। তিনি বলেন, ‘আমি আমরা নতুন কোচকে বলবো, দলকে নিয়ে আগামী বছর সাফ জিততে চাই এবং এশিয়াতে কোয়ালিফাই করতে চাই। ফুটবলের পাইপ লাইনে নিয়ে তোমার কি প্লান আছে বলো।’
তবে নামী কোচ মানেই বড় বেতনের ধাক্কা। আর্থিক সংকটে ভোগা বাফুফে কি পারবে এমন বড় নাম দেশের ডাগআউটে আনতে?
ফাহাদ করিম বলেন, ‘আমরা নিচ্ছি আমাদের বাজেটের মধ্যে। তারপর ও আমরা বাজেট আরও বাড়িয়ে নেয়ার চেষ্টা করছি। আমরা আমাদের বাজেটের বাহিরে তো যেতে পারবো না। আর এর বাহিরে তো আমরা স্বপ্ন দেখাও উচিত না। আমরা আমাদের বাজেটের সর্বচ্চোটা ব্যবহার করবো।’
দুই সপ্তাহের মাঝে বেশ কিছু হাই-প্রোফাইল কোচের সিভি পেলেও এখন তাদের বেতনের দুশ্চিন্তা বাফুফের কাছে। ফাহাদ করিম অবশ্য সাধ্যের মাঝে সেরা কোচকেই হামজা-জামালদের জন্য ডাগআউটে আনতে চান। ভাঙতে চান বাজেটের সীমা।





