জাতীয় দলের কোচ নিয়ে নানান জল্পনা-কল্পনা চলছে। তার মধ্যেই এএফসির প্রতিনিধিরা এসেছেন বাংলাদেশে। বাফুফে ও দেশের ঘরোয়া ফুটবলে অংশ নেয়া ক্লাবগুলোর সাথে আলোচনাও করেছেন এএফসির প্রতিনিধিরা।
সেখানে লিগের মান ও সম্প্রচারের বিষয়ে সন্তুষ্টি জানিয়েছেন তারা। বিশেষ করে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কার্যক্রমের প্রশংসা করেছেন এএফসির প্রতিনিধিরা, দাবি বাফুফের সহ সভাপতি ফাহাদ করিম।
বাফুফের সহ সভাপতি ফাহাদ করিম বলেন, ‘বর্তমানে যে ফুটবলে উন্মাদনা আছে। সেটাকে তারা খুব পজিটিভলি নিয়েছে এবং তারা বলল তারা আমাদের লীগের এ বর্তমান অবস্থাকে স্টাডি করেছে এবং তারা দেখেছে যে এখানে একটা পজিটিভ চেঞ্জ হচ্ছে। সেজন্যই তারা আমাদের গাইডলাইন দিচ্ছে।’
আরও পড়ুন
এসব আগমন ও প্রশংসা ইতিবাচক হলেও দেশের ঘরোয়া ফুটবলে দর্শকদের আগমন কিংবা আগ্রহ কোনোটাই বাড়েনি। যে-সব মাঠে খেলা হচ্ছে তার অবস্থাও করুণ। সম্প্রতি ফেডারেশন কাপে মোহামেডান ও রহমতগঞ্জের ম্যাচ নতুন করে মাঠের অবকাঠামো নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে বাফুফে।
ফাহাদ করিম বলেন, ‘লীগে এতগুলো খেলা হয়, এতগুলো খেলায় রেগুলার লোক হবে এটা চাওয়াটাও একটু ডিফিকাল্ট কারণ আমাদের টাইমিংগুলো অত ভালো না। এবং আমরা আবার ভালো টাইমে করতে পারিনা, ইনফ্রাস্ট্রাকচার সাপোর্ট করে না। এখানে অনেকগুলো প্র্যাকটিক্যাল ইস্যু আছে, অনেক স্টেকহোল্ডার আছে। আমার একটা কথা যে ধাপে ধাপে যেন আমরা উন্নতি করি।’
জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক জাহিদ হাসান এমিলি অবশ্য মাঠের এমন অবস্থাকে অশনিসংকেত হিসেবেই দেখছেন। জানান, সত্যিকারের ফুটবলের দিকে মনোযোগী হতে হবে ফেডারেশনকে। তাহলেই হাই প্রোফাইল কোচরা জাতীয় দলের জন্য মেধাবী ফুটবলার বাছাই করতে পারবেন।
জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক জাহিদ হাসান এমিলি বলেন, ‘আমাদের ঘরোয়া ফুটবল যে ড্যামেজ হয়ে আছে এটা কিন্তু আসলে কেউ কনসার্ন দিচ্ছি না। যেখান থেকে আসলে জাতীয় দলের প্লেয়াররা পারফর্ম করে জাতীয় দলে খেলছে। সেই ক্লাব ফুটবলের দিকে কিন্তু আমাদের কোনো ফোকাস নেই। আমরা যে বৃষ্টির সিজনে যে মাঠগুলোতে খেলছি, হ্যাঁ, এটা আসলে ঠিকঠাক আছে কি না।’
এমিলি বলেন, ‘এ মাঠগুলো আসলে পরবর্তী সিজনে আসলে আরও কতটা বেটার করা যায় এগুলো আসলে তাদের নলেজে আছে কি না। সো এটা খুব ইম্পর্ট্যান্ট এবং আপনি যদি দেখেন কিছু ম্যাচ আপনি যেটা বললেন রহমতগঞ্জ এবং মোহামেডানের ম্যাচ দেখছিলাম কুমিল্লাতে বৃষ্টি কাঁদার ভিতরে পানির ভিতরে বল বসাতে পারছিল না। এগুলো নিয়ে আসলে তারা চিন্তা করছে কি না এটা খুব ইম্পর্ট্যান্ট বিকজ জাতীয় দলের প্লেয়াররা কিন্তু ওখানেই পারফর্ম করছে।’
বাংলাদেশ জাতীয় দলে বড় নামগুলোর সাথে নিশ্চয়ই বড় কোচ দরকার। তবে ঘরোয়া ফুটবলে সুযোগ সুবিধা, মাঠের অবস্থা ও দর্শকদের মাঠমুখী করতে পারলে সামগ্রিকভাবে দেশের ফুটবলের বড় পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।





