দেশের ফুটবলের তিন প্রজন্ম এক মঞ্চে। স্বাধীন বাংলা ফুটবলের প্রতাপ শঙ্কর হাজরা থেকে বর্তমান প্রজন্মের জামাল-জায়ানরা। এ এক অভূতপূর্ব দৃশ্য বন্দী হয়েছে ক্যামেরার লেন্সে।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘আমি আসলে অত্যন্ত একটু আবেগ-আপ্লুত হয়ে গিয়েছিলাম তখন। যে স্বাধীন বাংলা ফুটবল টিম যারা স্বাধীনতার আগে থেকেই বাংলাদেশের ফুটবলের নেতৃত্ব দিয়েছে, সেই ধরনের দুজন মানুষকে আমরা খুব কাছ থেকে পেয়েছি। তারপরে আমাদের পরে আমাদের আলফাজ আহমেদ, আরমান মিয়ারা ছিলো। তারপরে আমরা ছিলাম। পাশাপাশি এখন বর্তমান আমাদের জামাল ভুঁইয়া, জিকো, মোরসালিন, জায়ানের মতো যারা উদীয়মান তারকা ফুটবলার যারা বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছে, তিনটি প্রজন্মকে এক জায়গায় করার জন্য ডেফিনেটলি আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই যে ঢাকা ফুটবল ফিয়েস্তাকে।’
ফুটবলতো কেবল একটি খেলা নয়, এটি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে প্রবাহিত এক অবিরাম আবেগ। দেশের কিংবদন্তিদের পায়ের জাদুতে মুগ্ধ হয়ে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মই আজ নিজেদের প্রতিভার ঝলক দেখিয়ে লাল সবুজের জার্সি পড়ে এশিয়া থেকে ইউরোপ দাপট দেখাচ্ছে। তবে ফুটবলের জমজমাট আর সবচেয়ে বড় আসর বিশ্বকাপে বাংলাদেশের নাম না থাকলেও উন্মাদনা কমতি নেই দেশের ফুটবলারদের।
বাংলাদেশ ফুটবল দলের খেলোয়াড় মোরসালিন বলেন, ‘খুবই ভালো লাগছে প্রোগ্রামে এসে। এটা আসলে আমরা মানে অ্যাজ এ বাঙালি আমাদের কাছে খুবই ভালো লাগে। কারণ আমাদের এখান থেকেই আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল বা অন্য টিমের যেরকম সাপোর্ট যায় ওয়ার্ল্ড ওয়াইড, এটা আসলে হিউজ।’
আরও পড়ুন
বাংলাদেশ ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভুঁইয়া বলেন, ‘টিমটা ডে বাই ডে স্ট্রংগার হচ্ছে, না? আমি দেখলাম দুই সপ্তাহ আগে, না ১০ দিন আগে ওই ফাহাদ আসবে ওই ফুলহ্যামের প্লেয়ার। সো আমি মনে করি উনি আসলে টিম আরও স্ট্রং হবে। সো যেটা আপনি বলছেন স্টেপ বাই স্টেপ, টিম স্ট্রং হইতেছে।’
বাংলাদেশ ফুটবল দলের গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকো বলেন, ‘আমরা যদি একদিন ওয়ার্ল্ড কাপে খেলতে পারি, যদি এটা আসলে বাংলাদেশের ফুটবল প্রেমীদের জন্য অনেক গর্বের বিষয় হবে ‘
বিশ্ব এ আসরের মাঠের লড়াই শুরু হওয়ার আগে যেই আমেজকে আরও ছড়িতে দিতে রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে আয়োজন হয় ঢাকা ফুটবল ফিয়েস্তা।
আয়োজক প্রতিনিধি বলেন, ‘যেখানেই আমাদের সেটআপ থাকছে, সেখানে একটানা ৪২ দিনই আমরা খেলা দেখাবো। আমরা ট্রাই করছি যে কটা দেখানো যায় সবগুলো ম্যাচ। আর প্রিমিয়াম যেগুলা আছে এগুলো সেকেন্ড রাউন্ড থেকে যাব আমরা।’
তবে হামজা চৌধুরী, শমিত শোমদের অন্তভুক্তিতে শিগগিরই বাংলাদেশও বিশ্বকাপে খেলবে বলে আশাবাদী দেশের ফুটবলাররা।





