মাঠে তার পারফরম্যান্সে আলজেরিয়া ছিলো দিশেহারা। ভক্তরা হয়েছেন আনন্দিত। কিন্তু, মেসির চোখে ছিলো কান্না। হ্যাটট্রিক করে আলজেরিয়াকে উড়িয়ে দেয়ার ম্যাচে মেসি হলেন আবেগতাড়িত। যে ফুটবল নিয়ে রাজত্ব করলেন, সেই খেলার প্রতি কৃতজ্ঞতাই যেন জানালেন ক্যারিয়ারের গোধূলী বেলায়। ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলতে নামা আর্জেন্টাইন অধিনায়ক জানালেন, ফুটবলের প্রতি তার ভালোবাসাই এখনও তাকে মাঠে সেরাটা দিতে অনুপ্রাণিত করে।
ম্যাচে হঠাৎ মেসিকে আবেগপ্রবণ হতে দেখে অবাক বনে গিয়েছিলেন অনেকেই। নিজের অশ্রুবিসর্জনের ব্যাপারে মেসি জানান, সেটি ফুটবলের কারণে নয়। জীবনের কিছু কঠিন সময় পার করছিলেন তিনি। তবে সেই কঠিন সময় পার করে উঠতে সাহায্য করায় দল ও সতীর্থদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। আজ (বুধবার, ১৭ জুন) আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে জয় পাওয়ার পর সংবাদ সম্মেলনে মেসি বলেন, বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে জয় দিয়ে শুরু করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
মেসির মতে, প্রথমার্ধে কিছুটা চাপে থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে আর্জেন্টিনা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যবধান গড়ে তুলতে সক্ষম হয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের মাঠে নিজের পারফরম্যান্সের চেয়েও সমর্থকদের অবদানের কথাই বেশি তুলে ধরেন তিনি।
আর্জেন্টিনা দলের অধিনায়ক লিওনেল মেসি বলেন, ‘আমি সবার আগে সমর্থকদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। তারা সবসময় আমাদের পাশে থাকে। কাতার হোক বা যুক্তরাষ্ট্র, তারা আমাদের এমন অনুভূতি দেয় যেন আমরা নিজেদের মাঠেই খেলছি ।’
নিজের অর্জন নিয়েও ছিলেন বিনয়ী। ব্রাজিল কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিওর রেকর্ড ভাঙার পর তার প্রশংসা করে মেসি বলেন, ‘সর্বকালের সেরাদের একজনের সঙ্গে একই আলোচনায় থাকা তার জন্য বড় সম্মানের।’
বিশ্বকাপে যৌথ সর্বোচ্চ ১৬ গোল ও ৮ অ্যাসিস্ট করা মেসি বলেন, ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা হিসেবে বিবেচিত হওয়াটাই তার কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।




 Cadre Specialist Physician Forum forms a human chain-320x167.webp)
