যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে স্পেন। হামস্ট্রিং ইনজুরি কাটিয়ে শুরুর একাদশে ফিরে আক্রমণে নতুন গতি যোগ করেন তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল।
ম্যাচের মাত্র ১০ মিনিটেই মিকেল ওয়ারজাবালের বাড়ানো বল থেকে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে স্পেনকে এগিয়ে দেন ইয়ামাল। প্রথম গোলের ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই সৌদি আরবের রক্ষণভাগে আবারও আঘাত হানে স্প্যানিশরা।
২১ ও ২৪ মিনিটে মাত্র তিন মিনিটের ব্যবধানে জোড়া গোল করেন মিকেল ওয়ারজাবাল। তার দুর্দান্ত নৈপুণ্যে প্রথমার্ধেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্পেন। বলের দখল, পাসিং আর আক্রমণে পুরোপুরি আধিপত্য দেখায় লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা।
বিরতির পরও থামেনি স্পেনের গোল উৎসব। ৪৯ মিনিটে মার্ক কুকুরেয়ার শট ঠেকাতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন সৌদি ডিফেন্ডার হাসান আল-তামবাক্তি। আত্মঘাতী সেই গোলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৪-০।
এরপর স্পেন আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও যোগ করা সময়ে করা একটি গোল ভিএআরে বাতিল হয়। তবু বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে স্পেন।
এ জয়ে দুই ম্যাচ শেষে ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘এইচ’-এর শীর্ষে উঠে এসেছে স্প্যানিশরা। অন্যদিকে গ্রুপের বাকি তিন দলের সংগ্রহ সমান ১ পয়েন্ট করে। নকআউটের পথে তাই সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে এখন স্পেন।





