সেমির লড়াইয়ে মুখোমুখি ইংল্যান্ড-নরওয়ে, আত্মবিশ্বাসী টুখেল

ইংল্যান্ড-নরওয়ের খেলোয়াড়
ফুটবল , বিশ্বকাপ
এখন মাঠে
0

ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়ের মুখোমুখি হচ্ছে ইংল্যান্ড। সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কোয়ানসাকে বাদ দিলে পূর্ণশক্তির স্কোয়াড পাচ্ছেন ইংল্যান্ডের কোচ থমাস টুখেল। জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তিনি। অন্যদিকে প্রথমবারের মতো সেমিফাইনালে উঠতে সেরাটা দিতে প্রস্তুত নরওয়ে।

একদিকে শক্তিশালী স্কোয়াড নিয়ে ফর্মের তুঙ্গে থাকা ইংল্যান্ড, অন্যদিকে হালান্ড-ওডেগার্ডদের নিয়ে স্বপ্নযাত্রায় এগিয়ে চলা নরওয়ে। মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে চলমান ফিফা বিশ্বকাপের তৃতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে ভিন্ন গল্প নিয়ে মুখোমুখি ইউরোপের দুই দেশ।

বড় ম্যাচের আগে ইংল্যান্ড শিবিরে আছে স্বস্তি। অনুশীলনে ফিরেছেন মার্ক গুয়েহি, ডেকলান রাইস ও রিস জেমস। স্কোয়াড নিয়ে সন্তুষ্ট ইংল্যান্ডের হেড কোচ থমাস টুখেল।

ইংল্যান্ডের হেড কোচ থমাস টুখেল বলেন, ‘অনুশীলনে আমাদের সব খেলোয়াড়ই উপস্থিত ছিলো। স্বাভাবিকভাবেই এটি আমাদের জন্য দারুণ খবর। নিষেধাজ্ঞার কারণে কোয়েনশাকে বাদ দিলে বাকি সবাইকে নিয়ে আমাদের পূর্ণ বিকল্প রয়েছে। এটাই সবচেয়ে ইতিবাচক দিক।’

১৯৬৬ সালের পর আবার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছে ইংল্যান্ড। সে লক্ষ্যে দল যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস নিয়েই নামবে বলে মনে করেন টুখেল।

ইংল্যান্ডের হেড কোচ থমাস টুখেল বলেন, ‘আমার মনে হয় শেষ ম্যাচে আমরা ভালো এগিয়েছি, তবে সেটি ছিল কেবল একটি ধাপ। আমাদের লক্ষ্য ও স্বপ্ন এখনো অটুট। পরবর্তী ধাপ—কোয়ার্টার ফাইনালে জয় তুলে নেয়া। আগের ম্যাচের আত্মবিশ্বাস নিয়েই আমরা আগামীকালের ম্যাচে মনোযোগ দিচ্ছি।’

এর আগে ১৯৯৩ সালে বাছাইপর্বে ইংল্যান্ডকে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছিল নরওয়ে। এবার ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করে প্রথমবারের মতো সেমিফাইনালে উঠতে চায় স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশটি। দলের হেড কোচ স্টেল সোলবাকেনও জানিয়েছেন, লড়াইয়ের জন্য পূর্ণ প্রস্তুত তার দল।

নরওয়ের হেড কোচ স্টেল সোলবাকেন বলেন, ‘আমার মনে হয় এই বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচই নরওয়ের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিলো। এটি আমাদের জন্য তৃতীয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। খেলোয়াড়রা আত্মবিশ্বাসী এবং লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত। তবে তাদের কিছুটা চাপও অনুভব করা উচিত। আমার বিশ্বাস, সেরাটা দিতে হলে কিছুটা চাপ থাকাও দরকার।’

বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত চার ম্যাচে সাত গোল করেছেন নরওয়ের আর্লিং হালান্ড। অন্যদিকে পাঁচ ম্যাচে ছয় গোল নিয়ে ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইনও আছেন দুর্দান্ত ছন্দে। দুই দলের পাশাপাশি এ ম্যাচে বিশ্ব তাকিয়ে থাকবে দুই গোলমেশিনের দ্বৈরথের দিকেও।

জেআর