এমবাপ্পে বনাম ইয়ামালকে ছাপিয়ে ফাইনালের ভাগ্য গড়বে দুই কোচের কৌশল

এমবাপ্পে ও ইয়ামাল
ফুটবল , World Cup
এখন মাঠে
0

শুধু এমবাপ্পে বনাম ইয়ামালের লড়াই নয়, বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে স্পেন ও ফ্রান্সের ম্যাচ নির্ধারণ হতে পারে মিডফিল্ডের দখল, বলের নিয়ন্ত্রণ এবং ট্যাকটিক্যাল পরিকল্পনায়। দুই কোচের দাবার চালেই নির্ধারিত হবে ফাইনালের টিকিট।

একদিকে ফ্রান্সের গতিশীল আক্রমণভাগ, অন্যদিকে স্পেনের দুর্ভেদ্য রক্ষণ। আলাদা শক্তির জায়গা নিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে লড়াইয়ে নামছে দুই ইউরোপিয়ান পরাশক্তি।

এমবাপ্পে-বারকোলা আর দেম্বেলের সমন্বয়ে ফ্রান্সের আক্রমণভাগ পৃথিবীর যে কোন প্রতিপক্ষের জন্য হয়ে উঠতে পারে মূর্তিমান আতঙ্ক। গতি-নিখুঁত ফিনিশিংয়ে রক্ষণ ছিন্নভিন্ন করে ফেলতে পারেন এই ত্রয়ী। সঙ্গে কিছুটা পেছন থেকে বলের যোগান দেয়ায় বিশ্বস্ত সহযোগীর ভূমিকা পালন করছেন মাইকেল ওলিসে। তবে পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণে এই চারজন আতঙ্ক ছড়ালেও স্পেনের বিপক্ষে তাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে বলের যোগান দেয়া।

আরও পড়ুন:

স্পেনের খেলার মূল ভিত্তি বলের দখল রাখা। একের পর এক পাসে প্রতিপক্ষকে বল থেকে দীর্ঘ সময় দূরে রেখে ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় লা রোহারা। বল স্পেনের দখলে থাকলে কার্যত অচল হয়ে পড়বে ফরাসীদের আক্রমণভাগ। আজকের ম্যাচে তাই মিডফিল্ড নিয়ে আলাদাভাবে ভাবতে হবে ফরাসি কোচ দিদিয়ের দেশমকে। চুয়ামেনি পুরোপুরি ফিট না থাকায় রাবিও আর মানু কোনের ওপরই থাকবে রদ্রি-পেদ্রির ছন্দ ভাঙার দায়িত্ব।

স্পেনের জন্য এ ম্যাচে মূল চ্যালেঞ্জ হবে এমবাপ্পেকে আটকানো। সামান্য খোলা জায়গা পেলেই ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে পারেন এ ফরোয়ার্ড। তাই রক্ষণ সামলে তবেই আক্রমণে উঠতে চাইবে স্প্যানিশরা। এক্ষেত্রে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দলের পক্ষে আছে পরিসংখ্যান। চলতি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত মাত্র এক গোল হজম করাই দিচ্ছে লা রোহাদের রক্ষণের শক্তির প্রমাণ।

ম্যাচের শেষভাগে মিকেল মেরিনোকে সুপার সাব হিসেবে কাজে লাগিয়ে দারুণ সাফল্য পেয়েছেন ফুয়েন্তে। এ ম্যাচেও একইভাবে ফ্রান্সের ফুটবলারদের ক্লান্ত পায়ের সুযোগ নিতে চাইবেন তিনি। বিপরীতে আসরজুড়ে এমবাপ্পের গতি আর কাউন্টার অ্যাটাকে ভরসা করলেও আজ আক্রমণের পরিকল্পনায় কিছুটা ভিন্নতাই দেখাতে পারে ফ্রান্স।

এফএস