বিশ্বকাপের শেষ সময়ে এসেও কেউ কেউ খুঁজছেন ব্রাজিলের জার্সি। নিজেদের কাছ জমে থাকা অনেক জার্সির মাঝে একটি জার্সি বিক্রি করতে পেরেও যেন স্বস্তির মুখ দেখছেন গুলিস্তানের এই জার্সি ব্যবসায়ী। চলতি বিশ্বকাপে সমর্থকদের আগ্রহ বিবেচনায় ব্রাজিলের অনেক জার্সিই জমা করেছিলেন। কিন্তু, রাউন্ড অব সিক্সটিন থেকেই সেলেসাওদের বিদায়ে বিক্রিতে পড়েছে ভাটা। তা নিয়ে কিছুটা হতাশ প্রায় ৩০ বছর ধরে জার্সি ব্যবসায় থাকা এ বিক্রেতা।
একজন জার্সি বিক্রেতা বলেন, ‘ব্রাজিল হচ্ছে পাঁচ বারের চ্যাম্পিয়ন, তারা তো অবশ্যই বড় টিম। তারা যখন বিদায় হয়, তখন তো জার্সিতে একটু ধস নামেই।’
মন ভারের এ গল্পটা প্রযোজ্য এবারের বিশ্বকাপে সব ব্যবসায়ীর জন্য। এদের মাঝে অনেকের হাতে বিকল্প না থাকায় পুরো মৌসুমের হিসেব বন্ধ করতে হচ্ছে লোকসানে থেকে।
আরও পড়ুন
জার্সি বিক্রেতারা জানান, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ওয়ার্ল্ড কাপে যতক্ষণ টিকে থাকে, ততক্ষণই জার্সি বিক্রি করার জন্য ভালো। আর তখন বেচা-বিক্রিও বেশি হয়।
এরই মধ্যে বাজারে চাহিদা বেড়েছিল নরওয়ের জার্সির। হালান্ড-ওডেগার্ডদের জার্সি পর্যাপ্ত আনতে না পারায় আক্ষেপও করেছেন কেউ কেউ।
একজন জার্সি বিক্রেতা বলেন, ‘আমাদের এক্সপেক্টেশনে ছিলো না নরওয়ের জার্সি এভাবে মানুষ চাইবে। আমরা নরওয়ে জার্সি স্টকও করেনি। জাস্ট কয়েকটা স্যাম্পল রেখেছিলাম। কিন্তু এত চাহিদা আগে বুঝতাম, তাইলে হয়তোবা ব্রাজিলের পরে বা ব্রাজিলের জায়গায় নরওয়েকে রাখতাম।’
তবে বিশ্বকাপের বাজারে প্রত্যাশা পূরণ না হলেও গেল আসরের তুলনায় বিক্রি বেড়েছে বলেই স্বীকার করেছেন সবাই। কেউ কেউ হিসাব করছেন, চার বছরে অন্তত সব খরচ পুষিয়ে নেয়ার।
একজন জার্সি বিক্রেতা বলেন, ‘ব্রাজিলের জার্সি যা চলছে তা আলহামদুলিল্লাহ। এখনও কিছু ফ্যানরা আছে নিয়ে যায়। অল্প অল্প করে নিয়ে যায়। ওইভাবে ওই ফ্যানগুলো পাওয়া যায় না।’
অবশ্য এখনো আর্জেন্টিনা টিকে থাকায় অনেকে স্বপ্ন দেখছেন বাড়তি লাভের। লিওনেল মেসির দল ফাইনালে গেলে জার্সির চাহিদা আরও বাড়বে বলেও বিশ্বাস ব্যবসায়ীদের।





