কিংবদন্তি পেপ গার্দিওলার ছায়া ম্যানচেস্টার সিটিতে কতটা বিশাল, তা কারও অজানা নয়। তবে সেই ক্লাবের ডাগআউটে দাঁড়ানোর চাপ নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন তারই সাবেক সহকারী ও ম্যানসিটির নতুন কোচ এনজো মারেসকা। ইত্তিহাদে নিজের নতুন অধ্যায় শুরুর দিনে সোজা জানিয়ে দিলেন, কারো ছায়া হয়ে নয়-নিজের সামর্থ্য আর ফুটবল দর্শনেই সিটিকে এগিয়ে নিতে চান তিনি
এনজো মারেসকা বলেন, ‘এখানে কাউকে নকল করতে আসিনি। আমি এসেছি নিজের কাজটা নিজের মতো করে করতে, নিজের ফুটবল স্টাইল দলকে শেখাতে। কাজটা সহজ না কঠিন—তা জানি না, তবে এটি একটি দারুণ চ্যালেঞ্জ এবং আমার জন্য অনেক বড় সুযোগ।’
শুধু কোচিংয়ের চ্যালেঞ্জই নয়, ম্যানচেস্টার সিটির মাথার ওপর ঝুলতে থাকা ১১৫টি আর্থিক বিধিভঙ্গের ট্রাইব্যুনাল সংক্রান্ত বিতর্ক নিয়েও প্রশ্নের মুখে পড়েন মারেসকা। তবে অতীতের মতোই বিষয়টিকে সহজভাবে দেখছেন এই ৪৬ বছর বয়সী ইতালিয়ান কৌশলবিদ।
আরও পড়ুন:
মারেসকা বলেন, ‘তিন বছর আগে ট্রেবল জয়ের সময়ও এই বিতর্কের বিষয়ে একই কথা বলেছিলাম। এই বিষয়গুলো তো আছেই, তবে ব্যক্তি হিসেবে আমার এ নিয়ে বিন্দুমাত্র উদ্বেগ নেই।’
মাঠের বাইরের বিতর্ক দূরে রেখে মারেসকার মূল মনোযোগ এখন মাঠের পারফরম্যান্সে। বিশেষ করে জাতীয় দল ও ক্লাবে সম্প্রতি ফর্মে না থাকা ফিল ফর্ডেনকে আবার চেনা ছন্দে ফিরিয়ে আনাই তার প্রধান লক্ষ্য। সাবেক এই শিষ্যকে নিয়ে নিজের স্পষ্ট পরিকল্পনার কথা জানান নতুন সিটি বস।
ম্যানসিটি কোচ বলেন, ‘ফিল আমাদের ঘরের ছেলে। ও যখন চেনা ছন্দে থাকে, আমরা ম্যাচ জিতি। সাম্প্রতিক সময়ে ও কিছুটা সমস্যায় আছে, তবে ওকে আবার আগের রূপ এবং হাসিখুশি ফুটবল আনন্দে ফিরিয়ে আনাটা আমার দায়িত্ব।’
গার্দিওলার বিশাল ঐতিহ্য কাঁধে নিয়ে নতুন মৌসুমের প্রস্তুতি শুরু করছেন মারেসকা। শিষ্য থেকে এখন যিনি মূল কাণ্ডারী-ইত্তিহাদে তার এই নতুন সফর কতটা সফল হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।





