এক বছর পর আবারও প্রিমিয়ার লিগের মঞ্চে ঢাকা ওয়ান্ডারার্স। তবে এবারের প্রত্যাবর্তন শুধু লিগে নাম লেখানোর জন্য নয় হারানো অবস্থান ফিরে পাওয়ার লক্ষ্যেই দল সাজাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি।
এক বছরের উত্থান-পতন পেরিয়ে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা ওয়ান্ডারার্সের। ক্লাব কর্তাদের পরিকল্পনায় এবার শক্তিশালী স্কোয়াড, অভিজ্ঞ ফুটবলার আর বিদেশি শক্তির সমন্বয়। চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াইয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা এখনই করছে না ওয়ান্ডারার্স। তবে লক্ষ্যটা পরিষ্কার, শীর্ষ চার কিংবা পাঁচের মধ্যে থেকে মৌসুম শেষ করা।
ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের ট্রেজারার আব্দুল জালাল বলেন, ‘আমার সুন্দর একটা দল করবো। আমরা হয়তো চ্যাম্পিয়ন, বার রানারআপ হতে পারবো না। কিন্তু আমরা ভালো একটা পজিশনে ধরে রাখতে পারবো লীগে।’
একসময় জাতীয় দলের হয়ে মাঠ মাতানো চার ফুটবলারকে দলে ভেড়ানোর পরিকল্পনা করেছে ক্লাবটি। সঙ্গে আসছেন পাঁচ বিদেশি ফুটবলার। নেপাল থেকে সৌরভ কারকি ও যুবরাজ ধাকাল। পরিকল্পনায় আছেন ইন্দোনেশিয়া ও মালদ্বীপের ফুটবলার আইদিল ওসমান। এছাড়াও অস্ট্রেলিয়ার বেইলি অ্যাঙ্গাস জন এবং ক্যামেরুনের ওবোনো বেলোয়া ম্যানুয়েলকে দলে নেয়ার চেষ্টা করছে ওয়ান্ডারার্স।
ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের ট্রেজারার আব্দুল জালাল বলেন, ‘একাধিক বিদেশি খেলোয়াড়কে আমরা আমাদের দলে নিয়েছি।’
দেশি অভিজ্ঞতা, সঙ্গে বিদেশি শক্তি সব মিলিয়ে নতুন চেহারায় ওয়ান্ডারার্স। এক বছর পর প্রিমিয়ার লিগে ফিরেই তাই শুধু টিকে থাকার লড়াই নয়, নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে চায় ক্লাবটি।
ট্রেজারার আব্দুল জালাল বলেন, ‘আমরা যদি বয়সভিত্তক কাউকে দলে নেয়ার পর সে যদি সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলতে পারে সেটাই হবে আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন।’
একসময় দেশের ফুটবলে ছিলো ওয়ান্ডারার্সের আলাদা পরিচিতি। কিন্তু সময়ের সঙ্গে হারিয়েছে সেই জৌলুস। এবার সেই পুরোনো পরিচিতি ফিরিয়ে আনতেই বড় বিনিয়োগ আর শক্তিশালী দল গঠনের পথে ক্লাবটি। এখন দেখার বিষয় মাঠের লড়াইয়ে কতটা পুরোনো ওয়ান্ডারার্সকে ফিরিয়ে আনতে পারে নতুন এ দল?





