মালয়েশিয়ার কাছে বড় ব্যবধানে হারের পর, সিঙ্গাপুরের ম্যাচে শুরুর একাদশে ব্যাপক পরিবর্তন আনে বাংলাদেশ। সেন্টারব্যাকে তারিক-জিদান জুটি, মিডফিল্ডে তারকা জুটি হামজা-শোমিতের সঙ্গে দীর্ঘদিন পর ক্যাপ্টেন জামাল ভূঁইয়া। আক্রমনভাগেও দুই পরিবর্তন। ফারহান-ফাহমিদুলের পরিবর্তে মাঠে নামেন মোরসালিন আর সুকি ইতোফুসা।
একাদশে রদবদলের প্রভাব মাঠে ফুটে ওঠে ম্যাচের শুরু থেকেই। বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে একের পর এক সিঙ্গাপুরের রক্ষণে হানা দিতে থাকে বাংলাদেশ। তবে নিজেদের বোঝাপড়ার অভাব আর জেনুইন স্ট্রাইকারের অভাবে প্রতিপক্ষের ডি বক্সে বারবার খেই হারায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
৩০ মিনিটে কুলিং বিরতির আগপর্যন্ত বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল বাংলাদেশের পায়েই। তবে বিরতিতে মোমেন্টাম নষ্ট হয় ফুটবলারদের। মনোযোগ হারানোর সুযোগ নিয়ে ৩৫ মিনিটে অতর্কিত আক্রমণ থেকে গোল করে বসে সিঙ্গাপুর।
গোল হজম করে আবারও কামব্যাকের চেষ্টা চালায় বাংলাদেশ। তবে প্রথমার্ধের বিরতিতে যেতে হয় ওই ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকেই।
বিরতি থেকে ফিরে ম্যাচে ফেরার জোর চেষ্টা চালায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধে চার বদলি নামিয়ে গতি আরও বাড়ানোর চেষ্টা চালান কোচ থমাস ডুলি। দলও শানায় একের পর এক আক্রমণ। ম্যাচে কতটা আক্রমণাত্মক ছিল বাংলাদেশ সেটি স্পষ্ট একটা তথ্যে-সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ১১টি কর্নার আদায় করে নেয় দল। তবে সেখান থেকে আদায় করতে পারেনি একটি গোলও।
শত চেষ্টায়ও কোন গোল না পাওয়ায় শেষপর্যন্ত ১-০ গোলের হার মেনেই মাঠ ছাড়তে হয় হামজা-জামালদের। তাতে ফিফা আসিয়ান কাপের গ্রুপপর্ব থেকে বাংলাদেশের বিদায়ও অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যায়।
১ অক্টোবর আসরে নিজেদের শেষ ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি হবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।





