প্রথম ধাপে ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং শিশু সুরক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সহজ কারিকুলামের মাধ্যমে শারীরিক শিক্ষার পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষকও পরিচালনা করতে পারবেন এসব সেশন।
জানুয়ারি থেকে শুরু হবে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ। দুইজন অভিজ্ঞ শিক্ষককে তৈরি করা হবে মাস্টার ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে। নিয়মিত স্কুল টুর্নামেন্টের মাধ্যমে খোঁজা হবে নতুন ফুটবল প্রতিভা।
পাইলট প্রকল্পের সাফল্য বিবেচনায় পর্যায়ক্রমে দেশের সব স্কুলে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।





