ফ্রান্সের অধিনায়ক ও রিয়াল মাদ্রিদের তারকা এমবাপ্পে গত ২৫ সেপ্টেম্বর তুরস্কের মাঠে জিদানের অধীনে ফ্রান্সের প্রথম ম্যাচে জয়সূচক গোল করেছিলেন। তবে ওই ম্যাচেই হাঁটুর চোটে পড়েন তিনি। ফলে গত তিনটি ম্যাচে খেলতে পারেননি এই ফরোয়ার্ড।
এমবাপ্পেকে ছাড়াই বেলজিয়ামের বিপক্ষে দুই ম্যাচে জয় পায় ফ্রান্স। একটি ব্রাসেলসে, অন্যটি নিজেদের মাঠে। মাঝখানে ইতালির বিপক্ষে ম্যাচটি ড্র করে তারা।
এরই মধ্যে ক্লাবের হয়ে মাঠে ফিরেছেন এমবাপ্পে। লা লিগা ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ মিলিয়ে সাত ম্যাচে আট গোল করেছেন তিনি।
এ মাসের দুই ম্যাচে পিএসজির দুই খেলোয়াড় ওসমান দেম্বেলে ও ম্যাগনেস আকলিউশ এবং রেনের স্ট্রাইকার এস্তেবান লেপলকে পাচ্ছে না ফ্রান্স। তাই ইন্টার মিলানের মার্কাস থুরামকে আবার দলে ফিরিয়েছেন জিদান। আক্রমণভাগে এবার প্রথমবারের মতো সুযোগ পেয়েছেন পাগিসও।
২৩ বছর বয়সী পাগিস মূলত আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার হিসেবে খেলেন। লরিয়াঁ থেকে প্যারিস এফসিতে যোগ দেওয়ার পর চলতি মৌসুমে দারুণ পারফরম্যান্সের পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। লিগ ওয়ানে বর্তমানে চতুর্থ স্থানে রয়েছে প্যারিস এফসি।
পাগিস মার্সেইয়ের সাবেক খেলোয়াড় মিকায়েল পাগিসের ছেলে। তাঁর বাবা একসময় এরিক কান্তোনার অধীনে ফ্রান্সের বিচ সকার দলেও খেলেছিলেন।
দল ঘোষণার পর সংবাদমাধ্যমকে জিদান বলেন, ‘আকলিউশকে নিয়ে আমাদের কিছুটা সমস্যা রয়েছে। তাই অন্য একজন খেলোয়াড় বেছে নিতে হয়েছে। সে কারণেই দলে জায়গা পেয়েছে পাবলো।
‘পাবলো দীর্ঘ তালিকায় ছিলো এবং আমি তাকে দেখতে চেয়েছিলাম। সে অন্যদের চেয়ে আলাদা। সে কেমন খেলোয়াড় তা দেখার অপেক্ষায় আছি।’
গত আন্তর্জাতিক বিরতিতে দলে না থাকা রিয়াল মাদ্রিদের অরেলিয়েন টিচুয়ামেনি মিডফিল্ডে ফিরেছেন। তার জায়গায় এবার বাদ পড়েছেন মানু কোনে। অন্যদিকে রক্ষণভাগে বার্সেলোনার জুলেস কুন্দে ও চেলসির ম্যাক্সেন্স লাক্রোয়ার পরিবর্তে দলে এসেছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের লেনি ইয়োরো ও চেলসির মালো গুস্তো।
দলে জায়গা পাননি আর্সেনাল ডিফেন্ডার উইলিয়াম সালিবা। পিঠের চোটের কারণে চলতি মৌসুমে এখনো ক্লাবের হয়ে মাঠে নামতে পারেননি তিনি।
আগামী বৃহস্পতিবার মিলানে ইতালির মুখোমুখি হবে জিদানের দল। এর তিন দিন পর বোর্দোতে তুরস্কের বিপক্ষে খেলবে ফ্রান্স। গ্রুপ পর্বে এটাই তাদের শেষ ম্যাচ।
চার ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে নেশন্স লিগের ‘এ১’ গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে ফ্রান্স। তিন পয়েন্ট কম নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে ইতালি।
গ্রুপের শীর্ষ দুটি দল আগামী মার্চে কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে।
ফ্রান্স দল :
গোলরক্ষক: মাইক মেইগনান, রবিন রিসের, গিয়োম রেস্তে
ডিফেন্ডার: অ্যান্ডি দিউফ, মালো গুস্তো, জেরেমি জাকে, ইব্রাহিমা কোনাতে, পিয়েরে কালুলু, আদ্রিয়েন ত্রুফে, দায়ো উপামেকানো, লেনি ইয়োরো
মিডফিল্ডার: এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা, রায়ান শেরকি, লুকা দা কুনহা, আদ্রিয়েন রাবিওত, অরেলিয়েন টিচুয়ামেনি, ওয়ারেন জাইর-এমেরি
ফরোয়ার্ড: ব্র্যাডলি বারকোলা, ডিজায়ার ডুয়ে, কিলিয়ান এমবাপ্পে, মাইকেল ওলিসে, পাবলো পাগিস, মার্কাস থুরাম।





