ক্ষমতার পালাবদল: নতুন সরকার ঘিরে ক্রীড়াঙ্গনে সংস্কারের প্রত্যাশা

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ
অন্য সব খেলা
এখন মাঠে
0

দুই দশক পর দেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। নতুন করে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দলটিকে নিয়ে নতুনভাবে স্বপ্ন দেখছেন দেশের ক্রীড়া সংগঠকরা। ক্রীড়াঙ্গনে দীর্ঘদিনের প্রচলিত ধারা ভাঙবে নতুন সরকার, এমনটাই চাওয়া তাদের।

ক্যালেন্ডারের হিসেবে ১৯ বছর ৩ মাস ১৬ দিন পর আরও একবার বাংলাদেশের ক্ষমতার কেন্দ্রে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে বিএনপির মতোই দেশের ক্রীড়াঙ্গনও পেরিয়েছে উত্থান-পতনের নানা মুহূর্ত। নতুন করে বিএনপি যখন আরও একবার রাষ্ট্রক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে, তখন সাড়া পড়েছে ক্রীড়াঙ্গনেও।

নতুন রাজনৈতিক নেতৃত্বে কেমন হতে পারে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন? ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বাবুর প্রত্যাশা, এবারে ইতিবাচক কিছু দেখবে ক্রিকেটপাড়া। প্রত্যাশা তৃণমূলে ক্রিকেট উন্নয়নে কাজ করবে নতুন সরকার।

বিসিবির সাবেক যুগ্ম সাধারণর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘তারা দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করছে, ক্রীড়াঙ্গনকে হায়েস্ট প্রায়োরিটি দিতে হবে। অতীতে যেগুলো ভুল করেছিলো তারা। সেগুলো এখন শুধরিয়ে আমরা আমাদের ক্রিয়াকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরবো।’

টেবিল টেনিসের সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ আহমেদ এবং দাবার উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোর্শেদও প্রত্যাশা করেন স্থবিরতা কাটিয়ে নতুনভাবে আগাবে ক্রীড়াঙ্গন।

আরও পড়ুন:

দাবার গ্রাউন্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদ বলেন, ‘আপনারা যতই যা বলেন ঘুরেফিরে একটি পেরিফেরাল অবজ্ঞার জায়গায় থাকে। মনে করা হয় এটি অপশনাল ফেলে একটি কাজ করে রাখি।’

বাংলাদেশ টেবিল টেনিস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ক্যাপ্টেন এম এ মাকসুদ আহমেদ বলেন, ‘যেই আসুক ক্রীড়াঙ্গন স্থবিরতা থেকে বের হয়ে এসে তারমধ্যে গতিসঞ্চার হবে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি আমরা পরিস্ফুটন ক্রীড়াঙ্গন দেখতে পাবো।’

আগামী দিনে ক্রীড়াঙ্গনে কেন্দ্র এবং প্রান্ত সব পর্যায়ের সংগঠকদের অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ প্রত্যাশা এই দুই ক্রীড়া ব্যক্তিত্বের।

ক্যাপ্টেন এম এ মাকসুদ আহমেদ আরও বলেন, ‘কিছু ইনক্লুসিভ নিট এক্সক্লুসিভ। বিগত দিনগুলোতে যারা একে বাধাগ্রস্ত করে রেখেছিলো, ইনডিভিজ্যুয়াল অ্যাফোর্টে কিছু জিনিস বাধাগ্রস্ত হয়, আপনারা জানেন কীভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে।’

নতুন নেতৃত্বকে স্বল্পমেয়াদী লক্ষ্যের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে কাজ করাতে বিশদ পরিকল্পনা প্রণয়নের তাগিদ আছে ক্রীড়া সংশ্লিষ্টদের।

এফএস