আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন না হলেও জাপানের নাগাওয়ায় শুরু হয়ে গেছে এশিয়ান গেমসের ব্যস্ততা। আর দেশে অ্যাথলেটরা সময় পার করছেন শেষ সময়ের প্রস্তুতিতে। মাদার অফ অল ডিসিপ্লিন নাম হলেও এবারের আসরে বাংলাদেশ থেকে অ্যাথলেটিক্সে অংশগ্রহণ একেবারেই কম। ট্র্যাক এন্ড ফিল্ডের লড়াইয়ে কেবল দেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর রহমান এবং হাই জাম্পার স্বপ্না খাতুন।
এদের মাঝে ইমরান অনুশীলন করছেন যুক্তরাজ্যে নিজের শহরে। আর কয়েক সপ্তাহ ধরে অনুশীলনে ব্যস্ত থাকলেও এশিয়ান গেমসের ক্যাম্পের অর্থ বুঝে পাননি স্বপ্না। অবশ্য অ্যাথলেটিক্সের সাধারণ সম্পাদক আলী ইমাম তপন বলছেন, অংশ নিতে যাওয়া সব ফেডারেশনের চিত্রটাই এমন।
তিনি বলেন, ‘আমার জানামতে, কোনো ফেডারেশনই গতকাল পর্যন্ত ফান্ড পায়নি। অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন বলেছে যে, ফান্ড দুই-এক দিনের মধ্যেই পেয়ে যাবে।’
আরও পড়ুন:
আর্থিক নিশ্চয়তা না পেলেও ফেডারেশনের নিজস্ব অর্থায়নে প্রস্তুতি চালু রাখায় কৃতজ্ঞতা শোনা গেলো কোচ আল আমিনের কণ্ঠে। তিনি জানান, নিজের সেরা পারফর্ম করতে পারলে অন্তত বাংলাদেশের পতাকা দেখা যাবে হাইজাম্প ইভেন্টের ফাইনালে।
আল আমিন বলেন, ‘যখন থেকে শুরু করেছি, অল-ওভার খুবই ভালো যাচ্ছে। এশিয়ান গেম আসলে আমাদের জন্য অনেক কঠিন। আমি যেটা দেখেছি, আমার অ্যাথলেট যদি তার বেস্ট করতে পারে, কমপক্ষে সে ফাইনাল খেলবে বলে আমি আশা করছি।’
এদিকে আর্থিক এই অস্বচ্ছলতা দূর করতে আপাতত ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত সীড মানির দিকে তাকিয়ে ফেডারেশন কর্তা আলী ইমাম তপন।
তিনি বলেন, ‘এই সিড মানির ওপর ভরসা করে থাকলে তো..মানে ইয়ে হবে না। এখান থেকে হয়তো হার্ডলি বছরে একটা ফেডারেশনের জন্য ২৫-৩০ লাখ টাকা..কোনো ইয়ের ব্যাপার না। বয়সভিত্তিক খেলোয়াড়দের নিয়ে আমরা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করছি, ভবিষ্যতে আমাদের অ্যাথলেটিক্সকে একটা দৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর জন্য।’
আর্থিক এই সংকটের মারপ্যাঁচ কাটিয়ে উঠতে পারলে বাংলাদেশে ভবিষ্যত অ্যাথলেট তৈরি করা সম্ভব বলেও জানালেন টাঙ্গাইল জেলার এই ক্রীড়া সংগঠক।




