সবুজ ঘাসের মাঠে চোখে পড়ে এক রঙের আধিপত্য। দল ভিন্ন, দেশ ভিন্ন, কিন্তু বুটের রঙ যেন একই— গোলাপি।
বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক আসরকে নতুন পণ্যের সবচেয়ে বড় প্রদর্শনী হিসেবে ব্যবহার করে ক্রীড়া সামগ্রী নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। নাইকি, অ্যাডিডাস কিংবা পুমা সবাই চেয়েছিলো নিজেদের নতুন বুটকে আলাদা করে তুলে ধরতে। আর গবেষণায় দেখা গেছে, সবুজ ঘাসের ওপর গোলাপি রং সবচেয়ে বেশি দৃশ্যমান।
কিন্তু সমস্যা হলো, সবাই যখন একই কৌশল নিলো, তখন আর কেউই আলাদা থাকলো না। ফলে মাঠজুড়ে দেখা গেলো ‘পিঙ্ক বুটের রাজত্ব’।
আরও পড়ুন:
তবে এই ভিড়েও ছিলেন কিছু ব্যতিক্রম। তাদের একজন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি।
বিশ্বকাপের মঞ্চে মেসি পরেছিলেন তার বিশেষ অ্যাডিডাস বুট ‘এল উলতিমো ট্যাঙ্গো’। যার অর্থ ‘দ্য লাস্ট ড্যান্স’। নিজের শেষ বিশ্বকাপকে স্মরণীয় করে রাখতেই এ বিশেষ বুটে দেখা যাচ্ছে তাকে।
আরেক ব্যতিক্রম ছিলেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। আউটফিল্ড খেলোয়াড়দের গোলাপি বুট ট্রেন্ডের বাইরে থেকে নিজের স্বতন্ত্র স্টাইল বজায় রেখেছিলেন এ আর্জেন্টাইন তারকা।
মাঠের পারফরম্যান্সই শেষ কথা। তবে বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে কখনও কখনও একটি বুটও হয়ে ওঠে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। আর সবার ভিড়ে আলাদা হওয়ার গল্পে এবারও বিশেষভাবে উজ্জ্বল লিওনেল আন্দ্রেস মেসি।





