শনিবার এক বিবৃতিতে এফবিআই সাইবার চুরির এই প্রক্রিয়ার জন্য উত্তর কোরিয়ার সাইবার অপরাধী গোষ্ঠী ‘ট্রেডারট্রেটর’-কে সুনির্দিষ্টভাবে দায়ী করে। এই গোষ্ঠীটি গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাইবিট প্ল্যাটফর্ম থেকে ১৫০ কোটি ডলার চুরির ঘটনাতেও জড়িত ছিল। নতুন করে পাচার রোধে বিশ্বজুড়ে ক্রিপ্টো লেনদেন সরবরাহকারীদের জড়িত ওয়ালেট অ্যাড্রেস ব্লক করার আহ্বান জানিয়েছে এফবিআই।
এদিকে শনিবার বাইন্যান্সের পক্ষ থেকে আলাদা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, হ্যাকারদের চুরি করা অর্থের ৯০ শতাংশ কোম্পানিটি নিজস্ব তহবিল ব্যবহার করে নতুন টোকেন কিনে সমন্বয় করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তারা জানায়, বাকি ১০ শতাংশ টোকেন কম তরল হওয়ায় সমন্বয়ে কিছুটা সময় লাগছে। ব্যবহারকারীদের অর্থ নিরাপদ রাখতে প্রতিষ্ঠানটি তাদের নিজস্ব ইনস্যুরেন্স ও তহবিল ব্যবহার করে শতভাগ ক্ষতি পূরণ করবে; গ্রাহকদের ওপর এর কোনো আর্থিক প্রভাব পড়বে না।
বাইন্যান্সের সহ-প্রধান নির্বাহী রিচার্ড টেং জানান, এই সাইবার আক্রমণটি অত্যন্ত জটিল ছিল, যেখানে ল্যাপটপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে এমন এক সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয় যা আলামত মুছে ফেলতে সক্ষম। নজিরবিহীন এই চুরির পর বাইন্যান্স থেকে সাময়িকভাবে অর্থ উত্তোলন বন্ধ রাখা হয়েছিল। তবে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, তারা নতুন রিসার্ভ রিপোর্ট প্রকাশ করেছে এবং রোববার থেকে গ্রাহকদের অর্থ উত্তোলনের সুযোগ পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া চলছে।
 in front of a market chart and US dollar-768x402.webp)




