তিনি বলেন, ‘আগামী সপ্তাহে প্রধান উপদেষ্টার সভায় সাইবার সিকিউরিটি আইন পাস হতে পারে। সাইবার সিকিউরিটি আইনে অতীতে অনেক সাংবাদিক মামলা ও হয়রানির স্বীকার হয়েছেন। যা মুক্ত সাংবাদিকতার পরিপন্থী।’ নতুন আইনে ৯টি ধারা বাদ দেয়ার সুপারিশ করা হবে বলেও জানান তিনি।
ডেপুটি প্রেস সচিব বলেন, ‘সরকারের উদারতার সুযোগে অনেক মূল ধারার গণমাধ্যম এখন অপপ্রচার করছে, অনলাইনগুলোও গুজব ছড়াচ্ছে। যা অনভিপ্রেত। বিভিন্ন গণমাধ্যমে সরকারের সমালোচনা করছে, শালীন অশালীন ভাষায় বক্তব্য রাখছে, তবে সরকার এসব নিয়ে কোনো চাপ প্রয়োগ করছে না, কোনো ব্যবস্থাপককেও আগের সরকারের মতো ফোন দেয়া হচ্ছেনা। সরকার এসব সমালোচনাকে উদারভাবে গ্রহণ করছে।’
ডেপুটি প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, ‘তবে সম্প্রতি তিন সাংবাদিক একজন উপদেষ্টাকে উদ্দেশ্যমূলক প্রশ্ন করেছেন। সেজন্য চ্যানেলগুলো সেলফ সেন্সরশিপ থেকেই নিউজ বন্ধ করা ও সাংবাদিকদের চাকরিচ্যুত করেছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের পর যেসব সাংবাদিক হত্যা মামলার আসামি হয়েছেন, সেটা তাদের তৎকালীন ভূমিকার জন্যই।’
সাংবাদিকদের চাকরিচ্যুত করা অন্যায্য হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘এক্ষেত্রে সরকারের কোনো ভূমিকা ছিল না। এটি ঠেকানোও সরকারের পক্ষে সম্ভব ছিল না।’ অনেকেই এ নিয়ে সরকারের ওপর দায় চাপিয়েছেন, এটি অনভিপ্রেত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

 and after images of the Betrawati area in Nepal-320x167.webp)



