পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সহ-সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য উষাতন তালুকদার বলেন, ‘রাষ্ট্রের তরফ থেকে আমাদের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বলা হচ্ছে। আবার অনেকেই বৈসাবি বলছে। যাতে করে আমাদের এই বিজু, বৈসু, সাংগ্রাই আমরা ভুলে যাই।’
তিনি বলেন, ‘বিজু মানে অস্তিত্ব, বিজু মানে আমাদের জীবন। বিজু মানে আমাদের সংস্কৃতি। এই অস্তিত্ব সংরক্ষণ করতে হবে। আমাদের খেলাধুলা, পোশাক পরিচ্ছদ, আচার আচরণ, খাবার দাবার থেকে শুরু করে অনেকেই এখন অনেক ভাষা, পোশাক-আশাক, হারিয়ে ফেলছি। এই সংস্কৃতিকে আমাদের ধরে রাখতে হবে।’
আরও পড়ুন:
উৎসব উপলক্ষে রাঙামাটি পৌরসভা প্রাঙ্গণে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর শিল্পীদের মনোমুগ্ধকর নৃত্য পরিবেশনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরে সেখান থেকে বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে শহরে বনরূপা হয়ে শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। র্যালিতে পাহাড়ি নারী-পুরুষরা তাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক ও ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে অংশ নেন। র্যালির উদ্বোধন করেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কাজল তালুকদার।
উৎসব উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক প্রকৃতি রঞ্জন চাকমার সভাপতিতে বক্তব্যে দেন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা কৃঞ্চচন্দ্র চাকমা ও উদযাপন কমিটির সদস্যসচিব ইন্টুমনি তালুকদার।
আগামী ১১ এপ্রিল থেকে তিন দিনব্যাপী পার্বত্য চট্টগ্রামে এ সামাজিক উৎসব শুরু হবে। উৎসব ঘিরে তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের পাহাড়ি জনপদ এখন উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে।





