সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের বাঘাবাড়ি নৌ-বন্দর সংলগ্ন ওয়েল ডিপো থেকে প্রতিদিন রাজশাহী, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের ২০টি জেলায় সরবরাহ করা হয় ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন। তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা থেকে প্রতিদিন পাম্প ও এজেন্সিতে সরবরাহ হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ লাখ লিটার জ্বালানি তেল। গত এক সপ্তাহে বাঘাবাড়ি ডিপো থেকে জ্বালানি তেল সরবরাহ হয়েছে ১ কোটি ৮২ লাখ ৪ হাজার ২০০ লিটার।
ডিপো কর্তৃপক্ষ জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে দাবি করলেও অবৈধ মজুত ও কালোবাজারি রোধে চলছে রেশনিং পদ্ধতিতে তেল সরবরাহ। কর্তৃপক্ষের এমন সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়েছেন পরিবহন চালকরা। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার পর ও তেল পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান পরিবহন চালকরা।
আরও পড়ুন:
এদিকে পাম্প মালিকরা বলছেন, গ্রাহক পর্যায়ে চাহিদা বাড়লেও ডিপো থেকে চাহিদা মতো তেল না পাওয়ায় হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।
তবে জেলা প্রশাসক বলছে, সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে তারা কাজ করছেন। সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘তুলনামূলক স্টাডির মাধ্যমে তেল দেয়া হচ্ছে। দেখা যাচ্ছে আজকে যে বেশি পাচ্ছে কালকে উনি কম পাচ্ছে এমন করে তেল দেয়া হচ্ছে।’
রেশনিংয়ের কারণে জ্বালানি তেলের এ সংকট দ্রুত সমাধান না হলে উত্তরাঞ্চলের কৃষি ও পরিবহন ব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।





