নিহতরা হলেন— পটুয়াখালীর বাউফল থানার ভাংরা গ্রামের আলতাফ মৃধার ছেলে দেলোয়ার মৃধা (৩৫) এবং গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলার আব্দুর রহিমের ছেলে রানা (২২)।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, ভবনের পানির ট্যাংকের স্যান্টারিং খোলার কাজ চলাকালে ট্যাংকের ভেতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসের সংস্পর্শে আসেন তারা। অল্প সময়ের মধ্যেই শ্বাসকষ্ট শুরু হয় এবং ঘটনাস্থলেই তারা অচেতন হয়ে পড়েন। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়া হলে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়।
আরও পড়ুন:
খানপুর ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ট্যাংকের ভেতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসেই তাদের দম বন্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে।’
দেলোয়ার মৃধা পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি ছিলেন। তার দেড় বছরের সুরাইয়ান নামে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। অন্যদিকে রানা ছিলেন একটি পোশাক কারখানার শ্রমিক। বন্ধের দিন থাকায় দেলোয়ারের সঙ্গে কাজ করতে এসে প্রাণ হারালেন তিনি। মাত্র চার মাস আগে বিয়ে করেছিলেন রানা।
প্রত্যক্ষদর্শী এস এম রফিক মোল্লা বলেন, ‘ঘটনাটি ছিল একেবারেই অপ্রত্যাশিত। কোনো ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই তারা ট্যাংকের ভেতরে নেমেছিলেন।’




 founder Abhijeet Dipke-1-320x167.webp)
