কর্তব্যরত চিকিৎসকের খোঁজ নিতে গিয়ে জানা যায়, তিনি বেলা প্রায় ১২টা ৩০ মিনিটে শিশু ওয়ার্ডে রোগীদের কাগজপত্র দেখছেন। এদিকে শিশু ওয়ার্ডের সামনে অপেক্ষমাণ অভিভাবকরা অভিযোগ করেন, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ডাক্তার রাউন্ডে আসবেন বলে গেট বন্ধ করে দেয়া হয়। কিন্তু দুপুর গড়িয়ে গেলেও গেট খোলা হয়নি।
একজন অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এতক্ষণ গেট বন্ধ রেখে অসুস্থ শিশু নিয়ে অপেক্ষা করা সম্ভব নয়।’
এ বিষয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসকের কাছে জানতে চাইলে তিনি মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কিছু বলবো না, আপনারা তত্ত্বাবধায়কের সঙ্গে কথা বলেন।’
আরও পড়ুন:
পরে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক শেখ মোহাম্মদ আব্দুল হান্নানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি কথা বলতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। উত্তেজিত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘আমার কিছু করার নেই। এখানে যে শিশু বিশেষজ্ঞ ছিলেন, তিনি হজে গেছেন। তাই পাংশা থেকে চিকিৎসক এনে সাময়িকভাবে কাজ চালাতে হচ্ছে।’
জানা গেছে, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ প্রয়োজনীয় জনবল সংকটে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা। জেলার পাঁচটি উপজেলার সাধারণ মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল হওয়া সত্ত্বেও হাসপাতালটিতে কাঙ্ক্ষিত সেবা মিলছে না।
এ বছর ১ মে থেকে হাসপাতালটি ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করার প্রজ্ঞাপন জারি করা হলেও বাস্তবে সেবার মানে কোনো দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি। অব্যবস্থাপনা আর জনবল সংকটে জর্জরিত এই স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র থেকে চিকিৎসা না পেয়ে অনেক রোগীকেই ফিরে যেতে হচ্ছে।





